সোমবার, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন-হামিদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ হজের প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু সোমবার, যেতে পারবেন না যারা ‘ক্রসফায়ারে’ একরামুল হত্যা : হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল কোনো বাধা ছাড়াই দেশত্যাগের সমঝোতায় পদত্যাগ করেন সাহাবুদ্দিন বিশ্বকাপ শেষে প্রথমবার জনসমক্ষে মেসি জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা পছন্দ-অপছন্দ ও রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাস রুটে আসছে বড় পরিবর্তন সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আন্দোলন সফল, এবার কি ভোটের রাজনীতিতে নামবে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’

বিএনপি-জামায়াত যেন ফিফটি ফিফটি ভোট পায় : আ.লীগ নেতার বক্তব্য ভাইরাল

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৯ জুন, ২০২৫
  • ১০৫ বার পঠিত

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের এক স্থানীয় নেতার বক্তব্য ঘিরে আলোচনার ঝড় উঠেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা গেছে, “আমরা চাই জামায়াত আর বিএনপি ভোট পাক ফিফটি ফিফটি।”

বৃহস্পতিবার সিলেট জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জয়নাল আবেদীনের এক মতবিনিময় সভায় এই বক্তব্য দেন উত্তর রণিখাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি কালা মিয়া। ভিডিওটি শুক্রবার থেকেই ফেসবুকে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিওতে কালা মিয়া বলেন, “আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসতে চাইলে অন্তত ১০-১৫ বছর অপেক্ষা করতে হবে। যদি আসে, অনেক সময় লাগবে।”

তিনি আরও বলেন, “জয়নাল সাহেব যদি এমপি প্রার্থী হন এবং জয়ী হন, তাহলে এলাকার মানুষ কিছুটা মূল্যায়ন পাবে। আর যদি হারেও যান, তবুও একটা মূল্যায়ন থাকবে। ফেইল মারলেও তো এমপি!”

জামায়াতকে বিরোধী দল হিসেবে টিকিয়ে রাখার কথা বলার পাশাপাশি নতুন রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে তিনি বলেন, “নাগরিক পার্টি কতটা সিট পাবে, তা এখনই বলা কঠিন। তারা চাইলে দেশ দখল করতে পারে না, নির্বাচনে দাঁড়িয়ে দেখা যাবে।”

সবচেয়ে আলোচিত হয়েছে তার এই মন্তব্য: “আমরা চাই, জামায়াত আর বিএনপি ভোট পাক সমান সমান – ফিফটি ফিফটি। তারা আগে ভোট পায়নি, এবার পাক।”

কালা মিয়ার এই বক্তব্য নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা দ্বিমত পোষণ করেছেন।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন নেতা বলেন, “কালা মিয়া সব জায়গায় সুবিধা নিতে যান। তিনি কারো নির্ভরযোগ্য নেতা নন।”

 

অন্যদিকে, জামায়াত নেতা জয়নাল আবেদীন বলেন, তিনি ওই এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন এবং স্থানীয়দের নিয়ে একটি বৈঠক করেছিলেন।

সেখানেই কালা মিয়া এসে নানা প্রসঙ্গে এই ‘ফিফটি ফিফটি’ মন্তব্য করেন। “আমি তাকে আগে চিনতাম না,” বলেন জয়নাল।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com