মহানবী (সা.) কিছু বৈধ কাজ অতিরিক্ত পরিমাণে করতে নিষেধ করেছেন। কারণ এগুলোর আধিক্য মানুষকে নিষিদ্ধ বা অপছন্দনীয় কাজে জড়িয়ে ফেলতে পারে। আর এগুলোর মধ্যে অনেক ক্ষতি ও অনিষ্ট আছে। যেসব
বিস্তারিত
ইসলামে গোপনে অনেক ইবাদত করার কথা আছে—গোপনে দান-সদকা করা, মানুষের মধ্যে মীমাংসা করে দেওয়া, কারো মন ভালো করে দেওয়া, কারো অনুপস্থিতিতে তার জন্য দোয়া করা, গোপনে নেক আমল করা ইত্যাদি।
পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা এবং পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর (সা.) তারিখ নির্ধারণে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা আগামীকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। সন্ধ্যা ৭টায় (বাদ মাগরিব) ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম
মুমিনের দৈনন্দিন প্রতিটি বৈধ কর্ম, যদি তা সঠিক নিয়তে এবং শরিয়তের সীমারেখা মেনে সম্পাদন করা হয়, তবে তা-ই ইবাদতে পরিণত হয়। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘বলুন, আমার নামাজ, আমার কোরবানি,
মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ঘুমানোর আগে কয়েকটি বিশেষ আমল নিয়মিত করতেন। এর মধ্যে অন্যতম ছিল সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক ও সুরা নাস পাঠ করা। ছোট এই আমলটি আল্লাহর একত্বের ঘোষণা,