বৃহস্পতিবার, ০১:২৩ অপরাহ্ন, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৪ই ফাল্গুন, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।

তৃণমূলের মতামতে তৈরি হবে ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ৬ বার পঠিত

ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে যত শিগগির সম্ভব জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানই জাতির মূল প্রত্যাশা বলে মনে করছে বিএনপি। তাই আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনী প্রস্তুতিসহ দলের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা সাজানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বৃহস্পতিবার দলীয় সাংগঠনিক কর্মসূচি চূড়ান্ত করতে দলটির বর্ধিতসভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সভায় তৃণমূল নেতাদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে নির্ধারণ করা হবে বিএনপির ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা।

১৯৯৭ সালে সর্বশেষ বড় পরিসরে বিএনপির বর্ধিতসভা হয়েছে। দলের জাতীয় কাউন্সিলে যারা উপস্থিত থাকেন, এবার তাদের প্রায় সবাইকেই আমন্ত্রণ জানানো হবে। দীর্ঘদিন পর ডাকা এ সভা নিয়ে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্রমেই বাড়ছে কৌতূহল। তাদের অনেকেরই মনে প্রশ্ন- সভায় দলের কাউন্সিল আয়োজনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আসতে পারে। যদিও এ নিয়ে দলীয় ফোরামে কোনো আলোচনা হয়নি, বলছেন সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা বলছেন, বিগত আন্দোলনের মূল্যায়নের পাশাপাশি আগামী সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত দলের কর্মপরিকল্পনা কী হবে, সে বিষয়ে মতামত নিতেই এ সভা ডাকা হয়েছে। এর মাধ্যমে তৃণমূলের নেতাদের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় এলাকার সম্ভাব্য প্রার্থীদের অবস্থান, জনপ্রিয়তা এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগের সঠিক চিত্র উঠে আসবে বলে মনে করছেন তারা।

বিএনপির উচ্চপর্যায়ের নেতারা বলেন, আগামী নির্বাচনে জয়ী হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে- এমন প্রার্থীকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে। তৃণমূলের বক্তব্যে অনেক প্রার্থীর বিষয়ে একটি ‘মূল্যায়ন চিত্র’ পাওয়া যাবে।

গত ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে পটপরিবর্তনের পর ভিন্ন প্রেক্ষাপটে আজ সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলসংলগ্ন মাঠে এ সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে যুক্তরাজ্য থেকে ভার্চুয়ালি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সভাপতিত্ব করবেন। উদ্বোধনী ও সমাপনী পর্বে নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখবেন তিনি।

জানতে চাইলে বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা আমাদের সময়কে বলেন, সারাদেশে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে এক ধরনের বিশৃঙ্খল অবস্থা বিরাজ করছে। এ অবস্থা নিরসন এবং সংসদ নির্বাচনমুখী বিএনপির পথচলা কেমন হতে পারে- এ বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় নির্বাচন আয়োজনে সরকার বা অন্য কোনো পক্ষ সময়ক্ষেপণ করার চেষ্টা করলে দলটি মাঠপর্যায়ে কর্মসূচি আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে নিয়ে রেখেছে। এ অবস্থায় এপ্রিল মাসে কেন্দ্র থেকে জেলা পর্যায়ে নতুন করে আরও কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে সংস্কারের নামে ভোটের তারিখ পেছানোর চেষ্টা হলে দলটি মেনে নেবে না। কেন্দ্রের এমন সিদ্ধান্তে তৃণমূলের ভাবনাও চাওয়া হবে আজকের এ সভায়।

বর্ধিতসভার বিষয়ে গত সোমবার এবং গতকাল বুধবার রাতে দুই দফা বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক হয়েছে। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, সভার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবেন তৃণমূল নেতারা। তাদের কথা শুনেই নির্ধারণ হবে বিএনপির আগামীর পথচলা। এতে বক্তব্য রাখবেন জেলা/মহানগর, উপজেলা/থানা ও পৌরসভা বিএনপির সভাপতি/আহ্বায়ক ও সাধারণ সম্পাদক/সদস্য সচিবরা। কেন্দ্রীয় কোনো নেতার নাম বক্তব্যের তালিকায় থাকবে না। সভায় বিগত আন্দোলনের একটি চিত্র তুলে ধরা হবে। বিএনপি মহাসচিব একটা সাংগঠনিক প্রতিবেদন তুলে ধরবেন। এতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ত্যাগ ও সফল নেতৃত্বের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হবে। যেহেতু দেশের মানুষ ১৭ বছর ধরে আন্দোলন-সংগ্রাম করছে ভোটাধিকারের জন্য, তাই বিএনপি এ বার্তা দেবে যে, স্থানীয় নয়, জাতীয় নির্বাচনই জাতির প্রত্যাশা।

নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির এ বর্ধিতসভাকে ‘খুবই সময়োপযোগী’ বলে মনে করছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেন, তৃণমূল নেতাকর্মীরা দলের প্রাণ। স্থানীয় পর্যায়ের রাজনীতিসহ সামগ্রিক বিষয় তারা গভীরভাবে প্রত্যক্ষ করেন। তাদের কাছ থেকে প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষের চাওয়াটা জানা যায়। ফলে বর্ধিতসভা থেকে সারাদেশে দলের সাংগঠনিক অবস্থা ও জনগণের প্রত্যাশার বস্তুনিষ্ঠ চিত্র উঠে আসবে, যা দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তৈরিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

এই বর্ধিতসভা থেকে কী বার্তা আসতে পারে জানতে চাইলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, যেসব নেতৃবৃন্দকে বর্ধিতসভায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তাদের বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে বার্তা আসবে, তারা কী চান। অনেক দিন ধরে আমাদের এত বড় আন্দোলন গেল। আরও নানা বিষয় আছে। কী ধরনের প্রস্তাবলি গ্রহণ করা যায়, তাদের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সেটা উঠে আসবে।

আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার, বিকালে স্ন্যাকসের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত থাকবে চা-কফির ব্যবস্থা।

বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর সূত্র জানায়, ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনে যারা দলের প্রার্থী ছিলেন এবং দলের প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েও চূড়ান্ত মনোনয়ন পাননি অর্থাৎ মনোনয়নের জন্য ‘সেকেন্ডারি’ কাগজ পেয়েছিলেন, তারাও বর্ধিতসভায় থাকবেন। এ ছাড়া বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটি, জাতীয় নির্বাহী কমিটি, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য এবং জেলা কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক অথবা আহ্বায়ক, সদস্য সচিব; থানা-উপজেলা-পৌর কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক অথবা আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবরা অংশ নেবেন বর্ধিতসভায়। বিএনপি ছাড়া ১১টি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকও থাকবেন। সব মিলিয়ে বর্ধিতসভায় সারাদেশ থেকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার নেতা অংশ নেবেন।

সভায় যা হবে

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতে ‘প্রথম বাংলাদেশ আমাদের শেষ বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হবে। এটি নির্মাণ করেছে ‘বর্ধিতসভা বাস্তবায়ন মিডিয়া উপকমিটি’। সভা উপলক্ষে আমরা বিএনপি পরিবার ‘আস্থা’ নামে একটি সাময়িকী প্রকাশ করেছে। সকালে তারেক রহমানের বক্তব্যের পর দুপুরের পর শুরু হবে রুদ্ধদ্বার অধিবেশন, যেখানে তৃণমূলের নেতারা বক্তব্য দেবেন। সমাপনীতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নীতিনির্ধারণীয় বক্তব্য দেবেন।

এই বর্ধিতসভা বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বর্ধিতসভার প্রস্তুতিপর্ব পরিদর্শনের পর গতকাল বিকালে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বর্ধিতসভায় আমন্ত্রিত নেতাদের বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করেই আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ঠিক করা হবে।

প্রস্তুতি : বর্ধিতসভা সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে ৬টি উপকমিটি করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে- ব্যবস্থাপনা কমিটি (আহ্বায়ক-শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি), অভ্যর্থনা কমিটি (আহ্বায়ক-হাবিব উন-নবী খান সোহেল), আপ্যায়ন কমিটি (আহ্বায়ক- এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত), শৃঙ্খলা কমিটি (আহ্বায়ক- সুলতান সালাউদ্দিন টুকু), মিডিয়া কমিটি (আহ্বায়ক- মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল) এবং চিকিৎসাসেবা কমিটি (আহ্বায়ক-রফিকুল ইসলাম)। প্রতিটি কমিটি ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

তৃণমূলের নেতারা কী চান

মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এসএ জিন্নাহ কবির বলেন, দেশের আপামর জনগণ যারা তৃণমূলে থাকেন তারা স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের আমলে দীর্ঘদিন ভোট দিতে পারেননি। তৃণমূলে যারা ভোটার, বিশিষ্ট নাগরিক ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, তারা খুব দ্রুত একটা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নিরাপদে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগে অধীর আগ্রহে অপেক্ষমাণ আছেন। জনগণ চাইছে যত দ্রুত সম্ভব জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা আসুক। তারা নিরাপদে, নিশ্চিন্তে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার, দীর্ঘ ১৫ বছর যেটা তারা প্রয়োগ করতে পারেননি, সেই অধিকারটা প্রয়োগ করতে চান। এ জন্য দ্রুত জাতীয় নির্বাচন ঘোষণা করা হোক- এটাই আমাদের মূল দাবি।

গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম মঞ্জুরুল করিম রনি বলেন, আমরা এলাকায় এলাকায় যাচ্ছি, জনগণের সঙ্গে মিশছি। আমরা যা বুঝি, তাদের একটাই কথা- দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখার জন্য এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য একটি স্থিতিশীল সরকারের প্রয়োজন এবং সেটার জন্য খুব দ্রুত জাতীয় নির্বাচন দরকার। জনগণ আসলে জাতীয় নির্বাচনকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে।

কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউনুফ মোল্লা টিপু বলেন, রাষ্ট্র মেরামতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৩১ দফা তো দিয়েই রেখেছেন, এর আলোকে আলোচনা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি সব মিলিয়ে মানুষ এখন জাতীয় নির্বাচন চাইছে। এসব বিষয় অবশ্যই আসবে। তিনি বলেন, আমাদের নির্বাচনের প্রস্তুতি রয়েছে। যে কোনো সময় নির্বাচন হলে অংশগ্রহণ করতে পারব।

বরিশাল মহানগর বিএনপি আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুক বলেন, আমাদের দাবি গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা। একটি ফ্যাসিস্ট সরকার গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে, মানুষের অধিকার ক্ষুণœ করে গত তিনটি জাতীয় নির্বাচন করেছে একতরফা; মানুষ ভোট দিতে পারেনি। আমাদের আন্দোলন ছিল ফ্যাসিস্ট সরকারকে হটানোর জন্য। লক্ষ্য ছিল- এ আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা হোক, সেটা যে দলই হোক। আমরা আন্দোলন করেছি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের জন্য। এখন যেহেতু ফ্যাসিস্ট সরে গেছে, তাই অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত- সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে যেটুকু সংস্কার প্রয়োজন, সেটুকু করে নির্বাচন দিয়ে দেওয়া। ভোটে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার ছাড়া যত সংস্কার বা উন্নয়ন বলেন, অধিকার বলেন- কিছুই ফিরে আসবে না। কাজেই সভায় মেসেজ থাকবে আগামী নির্বাচন দ্রত যেন অনুষ্ঠিত হয়।

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বলেন, বর্ধিতসভার মধ্য দিয়ে অনেক বছর পর তৃণমূল নেতাদের মহামিলন ঘটবে। সে কারণেই সারাদেশে নেতাকর্মীদের মধ্যে একটা উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা রয়েছে। বাবুল বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও কর্মসভায় যে বক্তব্য রাখছেন, তার মূল কথা হলো- আমাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। দলের ভাবমূর্তি ও মর্যাদাকে রক্ষা করতে হবে। মানুষের সঙ্গে থাকতে হবে, মানুষের পাশে থাকতে হবে। আমার ধারণা, বর্ধিতসভায় এই আহ্বানটাই ছড়িয়ে দেওয়া হবে দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীর উদ্দেশে। একই সঙ্গে নির্বাচনের জন্য দলকে প্রস্তুত করা, দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং নির্বাচনে বিপুল বিজয় লাভ, এটা যেন মানুষের সমর্থন ও রায় নিয়ে সম্ভব হয় তার জন্য সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে বলে আমরা আশা করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com