মঙ্গলবার, ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, [bangla_date] , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
গৌরনদীতে ‘দৈনিক আজকের পেপার’-এর ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন আ. লীগ আমলের ৬ ক্ষমতাধর ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুদকের বড় পদক্ষেপ এক উপজেলার সব ইউপির ভোট একসঙ্গে হবে-সি সচিব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি স্থগিত ঢাকা উত্তর থেকে দক্ষিণের ভোটার হলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নেশার টাকা না দেওয়ায় বাবা-মাকে মারধরের অভিযোগ, বাবাকে পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার হুমকি গৌরনদীর আবুল হোসেন মিয়ার কন্যা রিঙ্কুর নিউইয়র্কে পদোন্নতি খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী শুটার আরমান গ্রেপ্তার, গুলিসহ ৩টি অস্ত্র উদ্ধার ওয়ান ইলেভেন কুশীলবদের দিকে পুলিশের চোখ সংঘাত নয়, সহনশীলতার রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

রিজার্ভ নামলো ৪০ বিলিয়ন ডলারের নিচে

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৩ জুলাই, ২০২২
  • ৩২৩ বার পঠিত

বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছে। গত বছরের ডিসেম্বরে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৪৬ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার। প্রায় দুই বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো রিজার্ভ নেমে এলো ৩৯ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ডলারে।

গত সপ্তাহে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) সাথে ১ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলার মূল্যের আমদানি পেমেন্ট নিষ্পত্তি করেছে বাংলাদেশ। আমদানির অর্থ পরিশোধের অনুমোদন দেয়ার পর রিজার্ভ কমে গেছে।

আকুর মাধ্যমে সদস্য দেশগুলো তাদের আঞ্চলিক লেনদেনের জন্য আমদানি পেমেন্ট নিষ্পত্তি করে। বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলংকা হচ্ছে এসিইউ’র সদস্য।

আকুর সদর দফতর হচ্ছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। আকুর মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোকে প্রতি দুই মাস অন্তর আমদানির অর্থ পরিশোধ করতে হয়।

রিজার্ভ এভাবে কমতে শুরু করার কারণ হিসেবে অর্থনীতিবিদদের ভাষ্য, রফতানি আয় বাড়লেও অস্বাভাবিকভাবে আমদানি ব্যয় বেড়েছে। একইসাথে অস্বাভাবিকভাবে প্রবাসী আয়ও (রেমিটেন্স) কমেছে। ফলে ডলারের ওপর চাপ তৈরি হওয়ায় রিজার্ভে প্রভাব পড়েছে। গত কয়েক মাস ধরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলারের মজুদ চাপে আছে।

গত অর্থবছরের জুলাই থেকে মে মাসের মধ্যে আমদানি ব্যয় ৩৯ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৭৫ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার। সেই তুলনায় রফতানি আয় ৩৩ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৪৪ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার।

অন্যদিকে গত ছয় বছরের মধ্যে প্রথমবার রেমিট্যান্স প্রবাহ কমেছে। গত অর্থবছরে প্রবাসীরা অনানুষ্ঠানিক চ্যানেলে অর্থ পাঠানোয় রেমিট্যান্স আসে ২১ দশমিক শূন্য ৩ বিলিয়ন ডলার।

সংশ্নিষ্টরা বলছেন, গত বছরের শুরুতে মহামারী করোনার কারণে প্রবাসীরা এক ধরনের অনিশ্চয়তা থেকে তাদের জমানো টাকা দেশে পাঠিয়েছিলেন। অনেকে চাকরি হারিয়ে কিংবা ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ করে সব অর্থ দেশে এনেছেন। এ ছাড়া গত বছরের শুরুতে করোনার স্থবিরতার কারণে হুন্ডি প্রবণতা কমে যায়। ফলে ব্যাংকিং চ্যানেলে পাঠানো অর্থের অংক বেড়ে যায়।

এসব কারণে মহামারীর মধ্যেও রেমিটেন্স প্রবাহ বেড়েছিল। এখন অনেকে দেশে এসে আটকা পড়েছেন। আবার অনেক প্রবাসী নতুন করে ব্যবসা শুরু করতে গিয়ে দেশে রেমিটেন্স পাঠানো কমিয়ে দিয়েছেন। হুন্ডিও আবার বাড়ছে। এসব কারণে রেমিটেন্স নেতিবাচক ধারায় রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com