শুক্রবার, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, [bangla_date] , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
তৃণমূল পর্যায়ের সরকার হচ্ছেন গ্রাম পুলিশ গৌরনদীতে গ্রাম পুলিশকে উদ্দেশ্য করে……. জহির উদ্দিন স্বপন  যুগে যুগে এমপি-মন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রী আসবেন, শত বছরেও একজন কবি নজরুল তৈরি হবেন না…… জহির উদ্দিন স্বপন গৌরনদীতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২’-এর শুভ উদ্বোধন নজরুলের মতো বিরল প্রতিভা শত বছরেও জন্ম নেয় না: জহির উদ্দিন স্বপন  মানিকগঞ্জে তিনজনকে হত্যার দায়ে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৮ জনের যাবজ্জীবন খুলনায় প্রকাশ্যে বিএনপি নেতার ছেলেকে গুলি করে হত্যা যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চারজনের জয় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে নাহিদ ইসলামের বক্তব্য প্রত্যাহারে আইনি নোটিশ মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ভরাডুবিতে বড় ধাক্কায় ইলন মাস্ক ট্রিলিয়ন অর্থনীতির দেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

পুলিশ অফিসার যখন জনপ্রিয় মডেল ও বক্সার

অনলাইন ডেস্কঃ
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৪৫১ বার পঠিত

একের মধ্যে তিনি যেন সব। একাধারে তিনি একজন পুলিশ, সুপার মডেল, বক্সার ও বাইকার। বিশ্বের লাখ লাখ মানুষের অনুপ্রেরণা হলেন একশা হাংমা সুব্বা। ২১ বছর বয়সী এই পুলিশ অফিসার পেশায় একজন সুপার মডেল ও বক্সার।

ঝড়ের গতিতে বাইকও চালান তিনি। নারী হিসেবে কোনো কাজকেই তিনি অবহেলা করেননি, বরং পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নিজেকে ছোট করে না দেখে পুরুষের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলতে ছোট থেকেই নিজেকে এভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন সুব্বা।

সিকিমের রুম্বুক গ্রামে সুব্বার জন্ম হয়। তার বাবা একজন কৃষক। তার একজন বড় ভাই ও ছোট এক বোন আছে। ছোটবেলা থেকেই স্থানীয় বক্সিং ক্লাসে যোগদান করতে তিনি। এরপর একজন প্রফেশনাল বক্সারও বনে যান তিনি। একসময় তিনি টেলিভিশন রিয়েলিটি শো ‘এমটিভি সুপার মডেল অব দ্য ইয়ার’এ প্রবেশের স্বপ্ন দেখতেন।

তার ‘স্বপ্ন দেখার সাহস’ এর পেছনের মূল কাণ্ডারি ছিলেন বাবা। যিনি বিশ্বাস করতেন, তার মেয়েকে থামানো উচিত হবে না। তারা বাবা ব্রুট জানান, তিনিই মেয়েকে ফিটনেস ধরে রাখার ভালো মাধ্যম হিসেবে বক্সিং শিখতে বলেছিলেন। এক সময় মেয়ের আগ্রহ দেখে খুবই খুশি হন বাবা। খুব শীঘ্রই একশা জাতীয় স্তরে বক্সিংয়ে নিজ রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করেন।

১৯ বছর বয়সে স্নাতক পাস করার সময় তিনি চাকরি করার সিদ্ধান্ত নেন। তখন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন তার বড় ভাই। পরিবারের দায়িত্ব নিতে তিনি সিকিমের পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন। এজন্য তাকে কঠিন পরিস্থিতিতে ১৪ মাসের প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

একশা হাংমা সুব্বা বলেন, ‘আমি কখনো নারী হিসেবে পিছিয়ে থাকতে চাইনি। এ পর্যন্ত আমি যা যা অর্জন করেছি সবই আমার পরিশ্রমের ফল। আর তাই সব নারীরই মানসিক ও শারীরিকভাবে শক্তিশালী হওয়া জরুরি বলে আমি মনে করি।’

সূক্র: বেটার ইন্ডিয়া

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com