জধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার বহুল আলোচিত মামলার রায়ে সরকার আপাতত সন্তুষ্ট বলে জানিয়েছেন আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। একই সঙ্গে উচ্চ আদালতেও এই রায় কার্যকর থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
আজ রোববার সচিবালয়ে রায়ের প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আইনের প্রত্যেকটি ধাপ পেরিয়ে ছয় কার্যদিবসের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি। এটি বাংলাদেশে প্রথম। বিচারে ঘোষিত শাস্তিতে আপাতত সন্তুষ্ট। আশা করি, এটি উচ্চ আদালতে গেলেও এই রায় বহাল থাকবে।’
মো. আসাদুজ্জামান বলেন, রামিয়ার ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড জাতির জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক ও ভারাক্রান্ত হওয়ার মতো ঘটনা। তবে প্রধানমন্ত্রী এক মাসের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার বিষয়ে আশাবাদী ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, সাত দিনের মধ্যে রামিয়া হত্যাকাণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ফাইল উচ্চ আদালতে যাবে। এ ছাড়া পেপারবুক তৈরি হবে এবং সে অনুযায়ী মামলাটি বিচারের তালিকায় যাবে।
আইনমন্ত্রী জানান, উচ্চ আদালত খোলার পর রামিসা, সিনহা, আছিয়া ও রাজনের যে দ্রুত বিচার হয়েছিল, তার উচ্চ আদালতে যেন দ্রুত নিষ্পত্তি হয়, সে আবেদন করা হবে।
সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ এ মামলাকে অগ্রাধিকার দিয়ে শুনানি করলে আগামী ৩ মাসের মধ্যে রায় কার্যকর করা সম্ভব হবে বলে প্রত্যাশা করেন মো. আসাদুজ্জামান।
প্রসঙ্গত, রোববার রাজধানীর পল্লবীতে আলোচিত শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং তার স্ত্রীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন। মাত্র ১৭ দিনের বিচারিক কার্যক্রম শেষে বহুল আলোচিত এ মামলার রায় দেওয়া হলো।