ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আটক হওয়া শিক্ষার্থী যুগলকে উভয় পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে আটকের পর শনিবার তাদের বিয়ে দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হলেও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। পরে উভয় পরিবারের উপস্থিতিতে আলোচনা করে মুচলেকা নিয়ে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কার্যালয়ে এ বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সভাপতি ও সহকারী প্রক্টররা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আটক হওয়া ছাত্রকে তার পরিবারের কাছে এবং ছাত্রীকে সসম্মানে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। একই সঙ্গে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এর আগে, শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের পূর্ব পাশে মাদ্রাসা মসজিদ-সংলগ্ন কাঁঠালবাগান এলাকা থেকে স্থানীয়রা ওই শিক্ষার্থী যুগলকে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে প্রক্টর কার্যালয়ে নিয়ে যান।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ওই শিক্ষার্থী যুগলকে আটকের পর উভয়ের লিখিত সম্মতি ও পরিবারের উপস্থিতিতে পরদিন সামাজিকভাবে বিয়ে দেওয়ার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে শনিবার প্রক্টর কার্যালয়ে উভয় পরিবারের উপস্থিতিতে আলোচনা শেষে বিয়ের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।