মঙ্গলবার, ১১:৫১ অপরাহ্ন, ১৬ জুন ২০২৬, ২রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
হাসনাত ও মোশাররফ করিমের পাশে আছি: তাসনিম জারা দুই হত্যা মামলায় দীপু মনির জামিন নামঞ্জুর সংসদে এমপি নুরুল আমীন, ঈদুল আজহা গেল, এখনও মে মাসের বেতন পাননি মাদ্রাসার শিক্ষকরা হত্যার অভিযুক্তকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, বিক্ষুব্ধ জনতার হামলায় এসপি-ওসি আহত, ডিসির গাড়ি ভাঙচুর রেল যোগাযোগের আওতায় আসছে আরও ১০ জেলা: রেলমন্ত্রী আগামীতে গবেষণা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হবে : কৃষিমন্ত্রী আওয়ামী লীগ ও গণতন্ত্র কখনো একসঙ্গে যায়নি : মির্জা ফখরুল সংসদ হুটহাট কথা বলার জায়গা নয়, নিয়ম মেনে চলতে হবে : স্পিকার যুদ্ধ শেষে আরও শক্তিশালী ইরান, প্রশ্নের মুখে মার্কিন আধিপত্য: বিবিসির বিশ্লেষণ চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে সবুজ অবকাঠামো নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

কেঁদে কেঁদে মিজান বললেন, ‘জাতির কাছে বিচার দিতে এসেছি’

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১১১ বার পঠিত

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে স্ত্রী-সন্তান পুড়ে মারা যাওয়ার ঘটনায় জাতির কাছে বিচার চাইলেন মিজানুর রহমান মিজান।

আজ শনিবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘আমরাই বাংলাদেশ’ ব্যানারে আয়োজিত প্রতিবাদী পদযাত্রায় অংশ নিয়ে জাতির কাছে বিচার চান স্ত্রী-সন্তান হারানো মিজান।

কেঁদে কেঁদে মিজান বলেন, ‘আমি জাতির কাছে বিচার দিতে এসেছি। যারা আমার স্ত্রী-সন্তানকে আগুনে পুড়িয়ে মেরেছে, তাদের যেন দৃষ্টান্তমূলক বিচার হয়। আমি স্ত্রী-সন্তান হারিয়েছি। আমাকে লাশ বহন করে নিয়ে যেতে হয়েছে। যারা আগুনে মানুষ পোড়াচ্ছে, তাদের বিচার চাই।’

তিনি বলেন, ‘যে সন্তানকে সুন্দর করে বাড়ি পাঠিয়েছিলাম। তাকে আর কোলে নিতে পারি নাই। লাশ কোলে নিয়ে বাড়িতে যেতে হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি বিচার দাবি করি। আমি একজন সাধারণ মানুষ, খেটে খাওয়া মানুষ। স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে সুন্দরমতো জীবনযাপন করছিলাম। আমার জীবনকে এলোমেলো করে দিয়েছে। তার জন্য যারা দায়ী, তাদের বিচার করবেন। আমার স্ত্রী-সন্তানের কী দোষ ছিল? প্রধানমন্ত্রীর কাছে এই দাবি, এই অপরাধীদের যেন বিচার হয়। আর কোনো দাবি নেই।’

মিজান আরও বলেন, ‘নিজের সন্তান হারালে কী কষ্ট হয়, সেই হুঁশটুকু নিজের ভেতরে তৈরি করুন। তাহলে বুঝতে পারবেন, সন্তান পুড়লে কী কষ্ট হয়। যার হারায় সে বুঝতে পারে। চোখের সামনে আমার স্ত্রী-সন্তান পুড়ে গেছে, আমার যে কী অবস্থা, আমি বুঝতেছি। আমি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। আমার স্ত্রী-সন্তানের জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।’

উল্লেখ্য, গত ১৯ ডিসেম্বর মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেসে ট্রেনে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। সেই আগুনে মারা যায় নাদিরা আক্তার পপি (৩৫) ও তার ছেলে ইয়াসিন। ঘটনার সময় মায়ের কোলেই ছিল ৩ বছরের ইয়াসিন। বগিতে আগুন লাগলে সন্তানকে বুকে আগলে রেখেছিলেন মা নাদিরা আক্তার, মরদেহ উদ্ধারের সময়ও ছেলে তার কোলেই ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com