শুক্রবার, ০১:৫১ অপরাহ্ন, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, [bangla_date] , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
গৌরনদীর ডাকাতি মামলায় ‘সর্দার’সহ দুই আসামি গ্রেপ্তার গৌরনদীতে ১০২ ইয়াবাসহ মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার গৌরনদীতে ইয়াবাসহ মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ ও জালিয়াতি রোধ সহজ হবে: আইনমন্ত্রী নতুন দায়িত্ব পেলেন হুইপ দুলু পে-স্কেলের পরও দুর্নীতি হলে সরকারি চাকরিজীবীদের বিরুদ্ধে নামবে জনগণ-ভোলায় সারজিস আলম রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পদের আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা সুপ্রিম কোর্ট ভবন নির্মাণে ভুয়া বিলে ৬.৩২ কোটি টাকা আত্মসাৎ স্থানীয় নির্বাচনে কোনো বেআইনি নির্দেশনা দেবো না: সিইসি চট্টগ্রামে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে দুর্ঘটনায় ২ সেনাসদস্য নিহত

খুলনায় বাবা-ছেলে হত্যায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৭ জনের যাবজ্জীবন

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ২০৪ বার পঠিত

খুলনার তেরখাদা উপজেলার আলোচিত ডাবল মার্ডার মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান এস এম দ্বীন ইসলামসহ ১৭ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

রোববার খুলনা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো: নজরুল ইসলাম হাওলাদার এ রায় ঘোষণা করেন। মামলায় অপর দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেয় আদালত। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৯ সালের ৬ আগস্ট রাতে তেরখাদা উপজেলার পহরডাঙ্গা গ্রামের পিরু শেখ ও তার পরিবার রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ২টার দিকে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সিঁধ কেটে তাদের ঘরে প্রবেশ করে। অন্যরা ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগিয়ে দেয়।

‘এ সময় অভিযুক্ত আব্দুর রহমান হুকুম দিয়ে বলে পিরুকে কুপিয়ে শেষ করে দে। ওর জন্য আমি চাকরি হারিয়েছি।’ এ কথা বলার সাথে সাথে আসামি সাইফুল হাতে থাকা চাপাতি দিয়ে পিরুর মাথায় কোপ দেয়। কোপে তার মাথার হাড় কেটে ঘিলু বের হয়ে যায়। পরে অন্য আসামিরা পিরুকে এলোপাতাড়িভাবে কোপাতে থাকে। পিরু ও তার স্ত্রী চিৎকার করতে থাকলে পাশের ঘর থেকে ছেলে নাইম বাবাকে রক্ষার জন্য এগিয়ে আসলে তাকে টেনে হেঁচড়ে উঠানে নিয়ে আসামি খালিদ শেখ ফলাযুক্ত ফুলকুচি দিয়ে নাইমকে হত্যার উদ্দেশে মাথায় কোপ দেয়। এ সময় ওই অস্ত্র নাঈমের বুকে বিদ্ধ হয়। যন্ত্রণায় চিৎকার করতে থাকলে আসামি হাবিবুর ও জিয়ারুল চাপাতি দিয়ে নাইমের কনুই ও ঘাড়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এতে ঘটনাস্থলে নাইমের মৃত্যু হয়।’

আসামিরা চলে যাওয়ার পর পিরু শেখকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পিরু মারা যান।

এ ব্যাপারে নিহত পিরুর স্ত্রী ঘটনার দু’দিন পর তেরখাদা থানায় স্বামী ও সন্তান হত্যার অভিযোগে ১৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com