সোমবার, ০৬:০১ অপরাহ্ন, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, [bangla_date] , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
গৌরনদীতে সালিশের দুই দিন পর যুবতীর রহস্যজনক মৃত্যু, ময়নাতদন্তে মরদেহ গৌরনদীতে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত।  গ্রেফতারের আগে পরোয়ানা যাচাইয়ের নির্দেশ হাইকোর্টের মানি লন্ডারিং মামলায় রিজেন্টের সাহেদ ফের গ্রেপ্তার ডাকসুতে জিন্নাহর ছবি, ছিঁড়ে ফেললেন ঢাবির শিক্ষার্থী মঙ্গলবার রাত থেকে কলকারখানায় ‘আগের মতো’ গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বজুড়ে আজ উন্মুক্ত হচ্ছে আইওএস ২৭, আইফোনে মিলবে যে ৮ নতুন সুবিধা ইতালিতে হামলার পর দেশে ফিরেই যা বললেন বাঁধন ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি: স্পিকার জুলাই হত্যাযজ্ঞ: ওবায়দুল কাদেরসহ সাত জনের মামলার রায় আগামীকাল

রাজনৈতিক লক্ষ্য পূরণে সৌদি আরবের আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ!

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর, ২০২২
  • ২২৪ বার পঠিত

অ্যামাজন, গুগল, মাইক্রোসফট, উবার, পেপ্যালসহ বিশ্বের নামকরা অনেক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেছে সৌদি আরব৷ তারা কি ভবিষ্যতে এই বিনিয়োগ রাজনৈতিক লক্ষ্য পূরণে ব্যবহার করবে?

২০১৫ সালে এমবিএস নামে পরিচিত মোহাম্মদ বিন সালমান সৌদি আরবের ক্ষমতার কেন্দ্রে আসার পর বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে৷ ১৯৭১ সালে চালু হওয়া দেশটির ‘পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড’ পিআইএফ ব্যবহার করে দেশকে আধুনিকতর করা এবং আয়ের উৎস বাড়ানোর পরিকল্পনা করেন এমবিএস৷ তারই অংশ হিসেবে ২০১৬ সালে উবার-এ সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়ে বিশ্বে প্রথম আলোড়ন তুলেছিলেন এমবিএস৷

২০৩০ সালের মধ্যে পিআইএফকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ’ সভরেন ওয়েলথ ফান্ড বা ‘সার্বভৌম সম্পদ তহবিল’ হতে চায়৷ বিশ্বের অনেক দেশেরই এমন তহবিল আছে৷ এসব তহবিল রাষ্ট্রীয় সমর্থনপুষ্ট হয়ে থাকে৷ বর্তমানে নরওয়ের তহবিল সবচেয়ে বড়, যার পরিমাণ ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার৷

২০৩০ সালের মধ্যে পিআইএফ-এর সম্পদের পরিমাণ দুই ট্রিলিয়ন ডলারে নিয়ে যেতে চান মোহাম্মেদ বিন সালমান৷ বর্তমানে এর সম্পদের পরিমাণ ৬০৮ বিলিয়ন ডলার, যা ২০১৫ সালের তুলনায় প্রায় চার গুণ বেশি৷

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর তেল রফতানি করে সৌদি আরবের আয় বাড়ছে৷ ফলে পিআইএফ-এর আকার আরো বড় হবে বলেই মনে হচ্ছে৷

কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার অন গ্লোবাল এনার্জি পলিসির সিনিয়র গবেষক কারেন ইয়ং বলছেন, বর্তমানে শুধু লাভের আশায় কাজ করছে পিআইএফ৷ অভ্যন্তরীণ প্রবৃদ্ধি, নতুন চাকরির সুযোগ তৈরির জন্য এই তহবিল কাজে লাগানো হচ্ছে৷ তবে ভবিষ্যতে পিআইএফ আরো বেশি রাজনৈতিক হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করেন তিনি৷

জার্মান ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাফেয়ার্স বা এসডাব্লিউপির মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা বিভাগের প্রধান স্টেফান রোল জানান, মিসরের বিভিন্ন কোম্পানি কিনছে বা সেগুলোতে বিনিয়োগ করছে পিআইএফ৷ যদিও এ ব্যাপারে অস্বচ্ছতা আছে৷ তাই মিসরের সুশীল সমাজ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছেন রোল৷

তবে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ইয়ংয়ের মতো এসডাব্লিউপির স্টেফান রোলও মনে করছেন, এই মুহূর্তে সৌদিরা রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার নিয়ে কম চিন্তিত৷ তাদের মূল লক্ষ্য লাভ করা৷

ইয়ং জানান, অতীতে ইউরোপ ও জার্মানিতে পিআইএফকে বিনিয়োগ করতে দেখা যায়নি৷ তবে বর্তমানে তারা গ্রিস ও জার্মানিতে বিনিয়োগের চিন্তা করছে৷ ইতিমধ্যে তারা ব্রিটেনে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দল নিউকাসেল ইউনাইটেড কিনেছে৷ এসডাব্লিউপি ২০১৯ সালে তাদের এক প্রতিবেদনে বলেছিল, পিআইএফ যদি ইউরোপে বিনিয়োগ করতে চায় তখন তার রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে মূল্যায়ন জরুরি হয়ে পড়বে৷
সূত্র : ডয়চে ভেলে

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com