সোমবার, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, [bangla_date] , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।

নয় ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আনা হয়নি

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত

বিপিএলের সর্বশেষ আসরে নিলামের চূড়ান্ত তালিকায় থাকলেও বাদ দেওয়া হয়েছিল এনামুল হক বিজয়, মোসাদ্দেক হোসেন, আলাউদ্দিন বাবু, সানজামুল ইসলাম, নিহাদ-উজ-জামান, শফিউল ইসলাম, মিজানুর রহমান, শিহাব জেমস ও মনির হাসান খানকে। বিসিবির ইন্টেগ্রিটি কমিটির প্রধান অ্যালেক্স মার্শালের সুপারিশ অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে সে সময় জানিয়েছিল বিসিবি। তাদের বিরুদ্ধে বিপিএলে এর আগের আসরে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে গঠিত স্বাধীন তদন্ত কমিটির কয়েক দফা তদন্ত ও মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বেশকজন ক্রিকেটারের যুক্ত থাকার তথ্য মেলে। তাদের ‘রেড ফ্ল্যাগ জোনে’ রাখা হয়েছিল বলে জানানো হয়েছিল ইন্টেগ্রিটি কমিটির মূল্যায়ন প্রতিবেদনে।

গতকাল শনিবার বিসিবির স্বাধীন দুর্নীতি দমন ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল জানিয়েছেন, ওই নয় ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ আনা হয়নি। তার দাবি, ওই ক্রিকেটারদের বিপিএলের দ্বাদশ আসরে না রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল ৯০০ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদনে পাওয়া নেতিবাচক তথ্যের ভিত্তিতে। মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমি বিপিএলের গত আসরে আমন্ত্রণ না জানানোর যে পরামর্শ দিয়েছিলাম, সেই সংখ্যা নয়জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না; সংখ্যাটি আরও বেশি ছিল। সেটি ছিল নির্দিষ্টভাবে বিপিএলের দ্বাদশ আসরের জন্য। বর্তমানে তাদের কারও ক্রিকেট খেলার ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তারা কেউই অভিযুক্ত হয়নি। তাই তারা খেলতে পারবে।’ ড্রাফটের আগে কেন ওই নয় ক্রিকেটারকে নিলাম থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল, এমন প্রশ্নের জবাবে অ্যালেক্স মার্শাল বলেন, ‘ ড্রাফটের ঠিক আগে নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গিয়েছিল, যেখানে দেশি-বিদেশি বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে নেতিবাচক তথ্য ছিল। আমি বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলকে সতর্ক করেছিলাম, প্রতিবেদনে এমন কিছু ব্যক্তি আছেন, যারা বিপিএলের দ্বাদশ আসরের জন্য হুমকি হতে পারেন। এরপর তারা কিছু মানুষকে ওই আসরে আমন্ত্রণ না জানানোর সিদ্ধান্ত নেয়। বিষয়গুলো পরে তদন্ত করা হয়েছে।’

তদন্ত কীভাবে করা হয় তা জানাতে গিয়ে মার্শাল আরও বলেন, ‘ধরুন কোনো প্লেয়ার বললো যে, কেউ আমাকে বলেছে খারাপ খেলতে, বিনিময়ে তারা আমাকে টাকা দেবে। এটাই ফিক্স করার প্রথম ধাপ। ম্যানেজার বা কোচ বা সাংবাদিকদের কাছেও তথ্য থাকলে তারা ইউনিটকে এটা জানায়। আইসিসিও আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশে কিছু দেখতে পেলে সেগুলো বিসিবির কাছে পাঠিয়ে দেয়। বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিট ঘরোয়া ক্রিকেটের সব ব্যাপারে দায়িত্বশীল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়ে নয়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আইসিসি দেখে। আন্তর্জাতিক বাদে সবকিছু বিসিবি দেখে। আইসিসি যদি কোনো রিপোর্ট পায়, যেগুলো আন্তর্জাতিক ম্যাচ নয় তখন তারা সেগুলো বিসিবিকে পাঠায়।’

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com