জলাবদ্ধতা নিরসন, খালের নাব্যতা ফিরিয়ে আনা ও পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে বরিশালের গৌরনদীতে টরকী-বাশাইল খালে পরিচ্ছন্নতা ও অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে খালটি পুনঃখননের জন্য সরকারি অনুমোদন পাওয়া গেছে। প্রশাসন জানিয়েছে, শিগগিরই খননকাজ শুরু হবে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) উপজেলার ১ নম্বর ওয়ার্ডের টরকী বন্দরসংলগ্ন বাশাইল খালে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহিমের নির্দেশনায় এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে গৌরনদী পৌরসভা এ অভিযান চালায়।
অভিযানকালে খালের বিভিন্ন অংশে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি টরকী বন্দরে খালের জায়গা দখল করে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহিম বলেন, টরকী-বাশাইল খাল খনন, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং খালের নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে সরকারি অনুমোদন পাওয়া গেছে। খুব শিগগিরই খননকাজ শুরু করা হবে।
তিনি আরও বলেন, শুধু সাময়িকভাবে খাল পরিষ্কার করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। দীর্ঘমেয়াদে জলাবদ্ধতা নিরসন এবং খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ধারাবাহিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
অভিযানে গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব শরিফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, গৌরনদী পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মো. জাকির হোসেন শরীফ এবং বরিশাল উত্তর জেলা যুবদলের আহ্বায়ক সদস্য ও ধানডোবা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গভর্নিং কমিটির সভাপতি তারিকুল ইসলাম কাফী উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং গৌরনদী পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অভিযানে অংশ নেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে খালটি দখল, ময়লা-আবর্জনা ও পলি জমে পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে বর্ষা মৌসুমে আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। খালটি দখলমুক্ত করে পুনঃখনন করা হলে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় পরিবেশেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন তারা।
এ জাতীয় আরো খবর..