১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল ‘গণযুদ্ধ’। এখানে ‘প্রফেশনাল’ যুদ্ধের শর্ত পূরণ করে ‘অ্যাকশনে’ যাওয়া হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের সব অ্যাকশন ছিল গেরিলা পদ্ধতির। সাধারণ মানুষ ব্যাপকভাবে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। কৃষক, জেলে, তাঁতি, কামার,
নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পরদিন একজন প্রার্থী গুলিবিদ্ধ হওয়াকে কোনো স্বাভাবিক বিষয় বলে মনে করা কঠিন। সংশয় আর উত্তেজনা যেন পিছু ছাড়ছেই না। সংশয় নির্বাচন নিয়ে আর উত্তেজনা রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহে। এতদিন
বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ। হাসপাতালে শয্যাশায়ী। দেশবাসীর চোখ সেদিকে নিবদ্ধ। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে রাতদিন জটলা নেতা-কর্মীদের। নেত্রীর দেখা পাবে না জেনেও সারা দেশ থেকে লোকজন ছুটে আসছে হাসপাতালের
আমন ধান কাটা শুরু হয়েছে। চলবে প্রায় মধ্য ডিসেম্বর পর্যন্ত। একসময় বোনা আমনের প্রাধান্য ছিল বেশি। ধান কাটা প্রায় শেষ হয়ে যেত নভেম্বরেই। বর্ষায় পানি বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়ে
১৯৪৭ সালের মধ্য আগস্টে পাকিস্তান স্বাধীন হলো এবং উভয় রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠা ঘটল বুর্জোয়াদের শাসন। এই শাসকরা সামাজিক বিপ্লব চাইবেন কেন? তাদের সার্বিক প্রচেষ্টা ছিল তেমন বিপ্লবের সম্ভাবনাকে নির্মূল করা। পূর্ববঙ্গে
১৭৯৩ সালে ব্রিটেন থেকে লর্ড ম্যাকার্টনির নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধি দলকে চীনে পাঠানো হয়েছিল। প্রতিনিধি দলের একজন সদস্য সেই সফরের সমালোচনা করে যথার্থই লিখেছিলেন, তাদের আড়ম্বরের সঙ্গে অভ্যর্থনা জানানো হয়েছিল, রাজকীয়
এই ভূখণ্ডের ইতিহাস আর তরুণ বিদ্রোহ সমান বয়সী। কিন্তু আমাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রহেলিকা হলো, এখানকার তরুণেরা কখনো ক্ষমতার কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারেননি। বিপুল সম্ভাবনা থাকার পরও তাঁরা কোনো বড়
বাংলাদেশের রাজনীতি একটি নতুন সময়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনার দেশ ছেড়ে পলায়ন আওয়ামী লীগকে নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি করেছে। শুধু শেখ হাসিনা নয়, সেই সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রধান
রাজনৈতিক দলগুলো যখন নিজেদের ভেতর একধরনের টানাপোড়েন ও আস্থাহীনতার সংকটে ভুগছে, তখন জুলাই সনদের মধ্য দিয়ে একটি ঐকমত্যের দিকে এগিয়ে যাওয়া আমাদের জন্য আশার আলো দেখায়। প্রস্তাবিত বিভিন্ন রাজনৈতিক সংস্কার,
অগণিত মৃত্যু ও ধ্বংসের দৃশ্যের পর এবার পর্দায় দেখা গেল আনন্দের ছবি। সে ছবি যেন কিছুটা স্বস্তি এনে দিল। বৃহস্পতিবার বিশ্বজুড়ে টেলিভিশনের পর্দা দুই ভাগে ভাগ হয়ে গেল। এক ভাগে