১৯৪৭ সালের মধ্য আগস্টে পাকিস্তান স্বাধীন হলো এবং উভয় রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠা ঘটল বুর্জোয়াদের শাসন। এই শাসকরা সামাজিক বিপ্লব চাইবেন কেন? তাদের সার্বিক প্রচেষ্টা ছিল তেমন বিপ্লবের সম্ভাবনাকে নির্মূল করা। পূর্ববঙ্গে
১৭৯৩ সালে ব্রিটেন থেকে লর্ড ম্যাকার্টনির নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধি দলকে চীনে পাঠানো হয়েছিল। প্রতিনিধি দলের একজন সদস্য সেই সফরের সমালোচনা করে যথার্থই লিখেছিলেন, তাদের আড়ম্বরের সঙ্গে অভ্যর্থনা জানানো হয়েছিল, রাজকীয়
এই ভূখণ্ডের ইতিহাস আর তরুণ বিদ্রোহ সমান বয়সী। কিন্তু আমাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রহেলিকা হলো, এখানকার তরুণেরা কখনো ক্ষমতার কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারেননি। বিপুল সম্ভাবনা থাকার পরও তাঁরা কোনো বড়
বাংলাদেশের রাজনীতি একটি নতুন সময়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনার দেশ ছেড়ে পলায়ন আওয়ামী লীগকে নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি করেছে। শুধু শেখ হাসিনা নয়, সেই সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রধান
রাজনৈতিক দলগুলো যখন নিজেদের ভেতর একধরনের টানাপোড়েন ও আস্থাহীনতার সংকটে ভুগছে, তখন জুলাই সনদের মধ্য দিয়ে একটি ঐকমত্যের দিকে এগিয়ে যাওয়া আমাদের জন্য আশার আলো দেখায়। প্রস্তাবিত বিভিন্ন রাজনৈতিক সংস্কার,
অগণিত মৃত্যু ও ধ্বংসের দৃশ্যের পর এবার পর্দায় দেখা গেল আনন্দের ছবি। সে ছবি যেন কিছুটা স্বস্তি এনে দিল। বৃহস্পতিবার বিশ্বজুড়ে টেলিভিশনের পর্দা দুই ভাগে ভাগ হয়ে গেল। এক ভাগে
বাংলাদেশের বর্তমান সময়ে এক ভয়ংকর সামাজিক ব্যাধি দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে, যা সমাজ, রাষ্ট্র এবং মানবতার ভিত্তিকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে। এটি আইনশৃঙ্খলার ভয়াবহ ব্যর্থতার প্রতীক। আমাদের সমাজে আজ ‘জনতা’ নামের এক উন্মাদ
আনুপাতিক হারে ভোটের (পিআর) দাবি সামনে এনে জামায়াতে ইসলামী মাঠে আন্দোলনে নেমে বিএনপি নেতাদের ব্যস্ত রাখলেও নিজেরা বর্তমান পদ্ধতিতেই নির্বাচনী প্রস্তুতিতে এগিয়ে আছে। দেশের নির্বাচনী আসনের প্রায় সব কটিতে তারা
বাংলাদেশের রাজনীতিতে সম্প্রতি ডিম নিক্ষেপ একটি আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রে এনসিপি নেতা আখতার হোসেনকে ডিম নিক্ষেপ ও তাসনিম জারাকে নোংরা গালাগাল করার ঘটনা শুধু একটি তাৎক্ষণিক বা বিচ্ছিন্ন বিতর্কের
রাজধানী ঢাকার মগবাজার থেকে একটি রাজনৈতিক দলের মিছিল যাচ্ছে বাংলামোটরের দিকে। রিকশাচালককে বললাম রাস্তার পাশে অপেক্ষা করতে। মিছিল থেকে ভেসে আসছে স্লোগান- ‘পিআর ছাড়া নির্বাচন/মানি না, মানব না’। রিকশাচালক গামছা