মঙ্গলবার, ০২:১২ পূর্বাহ্ন, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, [bangla_date] , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
নামবিভ্রাটে ট্রেনে হামলার ঘটনায় আলোচনায় ‘ভুল’ অন্তরা ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের রায় যেকোনও দিন বাংলাদেশের ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে রাখাইনের বাসিন্দা হিসেবে মিয়ানমারের স্বীকৃতি পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেসের মুসলিম নেতা ও তার ছেলেকে গুলি করে হত্যা ১৮০ দিন পূর্তিতে সরকারের কর্মযজ্ঞের ১০ দিক তুলে ধরলেন মাহ্‌দী আমিন প্রধানমন্ত্রীকে সফরের আমন্ত্রণ সৌদির ক্রাউন প্রিন্সের হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু জুলাই বিপ্লব খালেদা জিয়ার দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সফল পরিণতি: আইনমন্ত্রী জিয়া পরিবার দেশের প্রতিটি সংকটে জাতিকে পথ দেখিয়েছে: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতার হাতুরি পেটা, যুবক হাসপাতালে 

তৃণমূলে বিদ্রোহ, চাপের মধ্যেও আশাবাদী মমতা

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬
  • ৩৩ বার পঠিত

দলীয় আইনপ্রণেতাদের বিদ্রোহের মুখে পড়েও পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্ষমতা হারানোর অল্প সময়ের মধ্যেই দলের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আইনপ্রণেতার বিদ্রোহ পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।

দলের ভেতরে এই অস্থিরতার জেরে প্রশ্ন উঠছে, ভবিষ্যতে তৃণমূলের নেতৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণ কতটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে থাকবে। যদিও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের সংগ্রামী রাজনীতির অভিজ্ঞতা এবং জনভিত্তির কারণে তিনি এখনও পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

বিদ্রোহের ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতিতেও নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে বিজেপির জোট ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ) আবারও সীমানা নির্ধারণ বিল উত্থাপন করবে। এর আগে প্রয়োজনীয় সমর্থনের অভাবে বিলটি পাস হয়নি। তবে বিদ্রোহী আইনপ্রণেতাদের একাংশের সঙ্গে শাসক জোটের নেতাদের যোগাযোগের খবর সামনে আসায় বিষয়টি নতুন গুরুত্ব পেয়েছে।

এদিকে বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে সরব হয়েছেন মমতার অনুগত সাংসদরা। তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘ওদের (বিদ্রোহী আইনপ্রণেতা) নেতা পাল্টে গিয়েছে। ওদের নেতার নাম নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু ডাইরেক্টলি বলতে পারছে না যে বিজেপি করি।’

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এ মন্তব্যের জবাবে বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম আইনপ্রণেতা কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, ‘আমি শুরু থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছিলাম। ২০০১ সালে আমি বামফ্রন্টের বিরুদ্ধে কাউন্সিলর হিসেবে লড়েছিলাম। আমি একটি রাজনৈতিক পরিবার থেকে এসেছি। আমার মাথা কাটা যেতে পারে, কিন্তু আমি মাথা নত করব না। আমি অনেক সহ্য করেছি। এ ধরনের লোকদের কথায় আমার কিছুই যায়-আসে না।’

অন্যদিকে মমতা অনুগত আরেক সাংসদ কীর্তি আজাদ দিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক বৈঠকে বলেন, ‘যদি রাজনৈতিক নৈতিকতা থাকে, যদি সৎ হন, তবে নিজেদের তৃণমূলের সাংসদ বলবেন না।’ এ সময় রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে পদত্যাগ করা বিদ্রোহী সুখেন্দু শেখর রায়ের উদাহরণ টেনে আজাদ জানান, তার মতো অন্যদেরও তৃণমূল ও সাংসদ পদ ছেড়ে দেওয়া উচিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com