বৃহস্পতিবার, ০৭:৪৪ অপরাহ্ন, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
২৩৮৬৫টি রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে : আইনমন্ত্রী এক লাখ টন ডিজেল কিনছে সরকার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে ‘জাতীয় সম্পদ’ ঘোষণা ইরানের সর্বোচ্চ নেতার টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সিলেটের নদ-নদীতে বেড়েছে পানি, বন্যার শঙ্কা গৌরনদী ইউএনওর বিরুদ্ধে ষরযন্ত্র করে মিথ্যাচার চালানোর অভিযোগ গৌরনদী পৌর এলাকায় উদ্বেকজনক মাত্রায় চুরির প্রবণতা বেড়েছে। দুই মাসের কর্মসূচি ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের অস্বাভাবিক হারে বাড়বে তেলের দাম, কটাক্ষ ইরানি স্পিকারের ৫ অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ৮ কর্মকর্তা বদলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময়

শ্রাবণেও ইলিশের আকাল, হতাশ জেলেরা

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৫ আগস্ট, ২০২২
  • ১৬২ বার পঠিত

৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে জেলেরা আশায় বুক বেঁধেছিলেন, নিষেধাজ্ঞা শেষে ইলিশের দেখা মিলবে। কিন্তু ভরা মৌসুমেও ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার জেলেদের জালে ধরা পড়ছে না কাঙ্খিত ইলিশ। ফলে জেলেদের মধ‍্যে দাদন, মহাজনী লোন, দৈনিক সুদের টাকা পরিশোধ করার চাপে হতাশার ছাপ দেখা দিয়েছে।

জ্যৈষ্ঠ থেকে ভরা মৌসুম চলছে ইলিশের। কিন্তু জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় পেরিয়ে শ্রাবণেও আশানুরূপ দেখা মিলছে কাঙ্খিত ইলিশ। নিষেধাজ্ঞার পর গত সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছে ইলিশ ধরা। কিন্তু নদ-নদীতে দেখা মিলছে না তেমন ইলিশের। সাগরে মোটামুটি ইলিশ পাওয়া গেলেও মেঘনা, তেতুলিয়া নদীতে মাছের হাহাকার।

ইলিশের মৌসুমেও মাছ ধরতে না পারায় দূরচিন্তায় পড়েছেন জেলেরা। একই সঙ্গে হতাশ আড়তদাররাও। সারা দিনে দুই এক ঝুড়ি মাছ ঘাটে আসলেও তেমন হইচই নেই চরফ্যাশন উপজেলার বেতুয়া, সামরাজ, নতুন সুইজ, খেজুর গাছিয়া ,বকসি, ঢালচর ও চরপাতিলার মাছ ঘাটগুলিতে। সেই সঙ্গে হাটবাজারগুলোতেও ইলিশের সেই হাঁকডাক নেই। ফলে উপজেলার প্রায় ৬০ হাজার জেলে হতাশায় দিন পার করছেন।

উপজেলার চরকচ্ছপিয়ার জেলে জসিম ও চরকুকরি-মুকররি ট্রলার মাঝি মফিজ বলেন, ‌‌‘ভরা মৌসমেও নদীতে মাছ নাই। দিন-রাত জাল ফেলে ৫-১০ টা মাছ পাই তা বিক্রি করে যে টাকা হয় তাতে ডিজেলের দাম হয় না। তারপরও পোলাপাইন নিয়ে অনেক কষ্টে চলে সংসার।’

সামরাজের মৎস্য ব্যবসায়ী জহির উদ্দিন ও মাহমুদ হাসান বলেন, টানা ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে। জেলেরা সাগরে গেছে। কিন্তু ভরা মৌসুমেও ইলিশ পাচ্ছেনরা তারা। দৈনিক ২ থেকে ৩ হাজার টাকার বাজার নিয়ে জেলেরা নদীতে যায়। রাত দিন জাল ফেলে মাছ পায় ৩-৪ টি তা বিক্রি করে যে টাকা পায় তাতে দোকানের মালামালের টাকা দিলে আর জেলেদের টাকা থাকে না। যে কারণে জেলেরা পরিবার পরিজন নিয়ে অনেক কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো মারুফ হেসেন মিনার বলেন, চলতি বছরে সময় মতো বৃষ্টি না হওয়ায় ইলিশের তেমন দেখা মিলছে না। বৃষ্টি যতো বেশি হবে মাছের ততো দেখা মিলবে। তবে ভোলাসহ উপকূলীয় কিছু জায়গায় মোটামুটি দেখা যাচ্ছে। দেরিতে হলেও মাছ হবে এমনটা আশা করা যায়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ইলিশ মাছের মৌসুম পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। সে কারণেই এই ভরা মৌসুমেও ইলিশ ধরা পড়ছে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com