শনিবার, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন, ২২ অগাস্ট ২০২৬, [bangla_date] , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন গৌরনদীতে সীরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বর্ণাঢ্য ওয়াজ ও দোয়া মাহফিল  গৌরনদীতে সীরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বর্ণাঢ্য ওয়াজ ও দোয়া মাহফিল  গৌরনদীতে ব্র্যাকের ”আনলকিং ফাইন্যান্সিয়াল সলিউশনস ফর ইয়ুথ এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট” প্রকল্পের সমাপনী সভা গৌরনদীতে ব্র্যাকের যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্পের সমাপনী সভা গৌরনদীতে ইয়াবা কেনার অভিযোগে কলেজ কর্মচারীকে গণধোলাই তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নের স্পৃহা জাতীয় স্বার্থমুখী হতে হবে: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে গৌরনদীতে মৎস্যজীবিদের ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরন জুলাই বিপ্লব খালেদা জিয়ার দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সফল পরিণতি: আইনমন্ত্রী    জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে  গৌরনদী পৌরবাসী, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

কুকুরের কান্নায় রক্ষা পেল ৬৭ জনের প্রাণ!

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৮ জুলাই, ২০২৫
  • ৭৮ বার পঠিত

ব্যাপক বৃষ্টিপাতের কারণে ভারতের হিমাচল প্রদেশে ভয়াবহ ভূমিধসে প্রাণ হারিয়েছেন অনেক মানুষ। তবে প্রদেশটির মান্ডি জেলায় একটি চমকপ্রদ ঘটনা ঘটেছে। জেলার একটি গ্রামে কুকুরের কান্নার কারণে প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন ২০টি পরিবারের ৬৭ জন মানুষ।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৩০ জুন মধ্যরাত থেকে রাত ১টার মধ্যে মান্ডির ধরমপুর এলাকার সিয়াথি গ্রাম পুরোপুরি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় ব্যাপক বন্যা ও ভূমিধসের কারণে।
সিয়াথি গ্রামের বাসিন্দা নরেন্দ্র বলেন, ‘আমার বাড়ির দ্বিতীয় তলায় ঘুমিয়ে থাকা কুকুরটি হঠাৎ জোরে ঘেউ ঘেউ করে ডাকতে শুরু করে, এরপর শুরু হয় কান্নার মতো শব্দ। বাইরে তখন প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। কুকুরের ডাকে ঘুম ভেঙে যায় আমার। কাছে যেতেই দেখি দেয়ালে বড় ফাটল ধরেছে, আর বাড়ির ভেতর পানি ঢুকছে। আমি সঙ্গে সঙ্গে কুকুরটিকে নিয়ে নিচে নেমে আসি এবং আশপাশের সবাইকে জাগিয়ে তুলি।’

নরেন্দ্র এরপর দ্রুত গ্রামে ছুটে গিয়ে অন্যদের জাগিয়ে দেন এবং নিরাপদ স্থানে চলে যেতে বলেন। এমন বৃষ্টি হচ্ছিল যে, কেউই কিছু সঙ্গে নিতে পারেনি, সরাসরি আশ্রয়ের জন্য দৌড় দেয় সবাই। কিছুক্ষণের মধ্যেই গ্রামটিতে ভূমিধস শুরু হয় এবং প্রায় এক ডজন বাড়ি ধ্বংস হয়ে যায়। এখন পুরো গ্রামে মাত্র চার-পাঁচটি বাড়ি অক্ষত আছে, বাকি সবই চাপা পড়ে আছে ভূমিধসের নিচে।

রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হিমাচল প্রদেশে এ বছরের বর্ষা শুরু হয়েছে ২০ জুন। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত রাজ্যে অন্তত ৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৫০ জন ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা ও মেঘভাঙা বৃষ্টির মতো বৃষ্টিজনিত ঘটনায় মারা গেছেন, আর ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে সড়ক দুর্ঘটনায়।

ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর সোমবার (৭ জুলাই) হিমাচলের ১০টি জেলায় আকস্মিক বন্যার সতর্কতা জারি করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com