শনিবার, ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, [bangla_date] , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশালে আলোচনা সভা গৌরনদীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস রাস্তার পাশে, আহত ৫ গৌরনদীতে শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য  র‌্যালী ও আলোচনা সভা আগৈলঝাড়ায় সকল সাংবাদিককে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ ও প্রেসক্লাবে অন্তর্ভুক্তির আহ্বান-প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন  আগৈলঝাড়ায় জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও আনন্দ শোভাযাত্রা শুভ জন্মাষ্টমীতে গৌরনদীতে  মঙ্গল শোভাযাত্রা কেউ সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু নয় সবাই বাংলাদেশি : প্রধানমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা বাস-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষে নিহত ৩ শুভ জন্মাষ্টমী আজ

মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবি

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৬৪ বার পঠিত

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের নেতাকর্মীদের মুক্তি, গণগ্রেপ্তার ও গায়েবি মামলা দায়ের বন্ধ এবং নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ।
বিবৃতিতে বিএনপি সমর্থক শিক্ষক, চিকিৎসক, কৃষিবিদ, প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন পেশার মোট ২২টি পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা বলেছেন, রাষ্ট্রক্ষমতা দখলে রাখতে সরকার পোড়ামাটি নীতি গ্রহণ করেছে।

তারা বলেন, বিরোধী জোটের কর্মসূচি ঘিরে যেভাবে বল প্রয়োগ করা হয়েছে, তা কেবল অনাকাঙ্ক্ষিতই নয়, অত্যন্ত নিন্দনীয়। যেভাবে জাতীয় ও বিরোধী দলের নেতাদের গণগ্রেপ্তার, খুন এবং ভিন্নমতাবলম্বীদের নামে গণহারে গায়েবি মামলা দেয়া হচ্ছে তা সভ্য সমাজে কল্পনাও করা যায় না। দেশজুড়ে সরকার একটা ভীতিকর ও শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সভা-সমাবেশের অধিকার মানুষের সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকার। সভা-সমাবেশে বাধা এবং কোনো কারণ ছাড়াই এ ধরনের গণগ্রেপ্তার সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকার পরিপন্থী।

সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের সদস্যসচিব কাদের গনি চৌধুরীর পাঠানো ওই বিবৃতিতে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. এম এ আজিজ, গাইনোকলজিস্ট ডা. ফাতেমা ও দন্তরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জাহিদুল কবির জাহিদসহ পেশাজীবী ও জাতীয় নেতাদের বিনা অভিযোগে এবং বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেপ্তার করে তাদের বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা দেয়া হয়েছে জানিয়ে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ডা. এম এ আজিজকে তার মাল্টিকেয়ার হাসপাতালের চেম্বার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তিনি রোগী দেখছিলেন। ডা. আতিকুল আলমকে সিরাজগঞ্জ, ডা. ফাতেমাকে রাজশাহী এবং ডা. জাহিদুল কবিরকে ঢাকার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ তখন সেখানে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করে।

পেশাজীবী নেতারা বলছেন, এভাবে দেশের গর্বিত নাগরিকদের অসম্মান, নির্যাতন, নিপীড়ন জাতির জন্য মঙ্গল ডেকে আনবে না। এমনিতেই সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও সম্মানজনক পরিবেশ না থাকায় মেধাবীরা এখন দেশে থাকতে চাইছেন না। নির্যাতন, নিপীড়ন, দুর্নীতি, লুটপাটতন্ত্র কায়েমের পাশাপাশি গণতন্ত্র, মানবাধিকার, ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা যেভাবে কেড়ে নেয়া হচ্ছে তাতে দেশের ভবিষ্যত নিয়ে তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।

জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলন বানচাল করে ২০১৮ সালের মতো আবারও ক্ষমতা দখলের হীন উদ্দেশে অন্যায়ভাবে বিরোধীদলের নেতা-কর্মীদের গণগ্রেপ্তার করা হচ্ছে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার দেশ থেকে আইনের শাসন নির্বাসনে দিয়ে একটা মগের মুল্লুক কায়েম করেছে। দেশকে পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com