বুধবার, ০৪:৫০ অপরাহ্ন, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
পদ হারানো সেই এনসিপি নেতা কারাগারে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক করতে পারলেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের চেতনা বাস্তবায়িত হবে                              – তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী  জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ঘুরে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ হবে সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি: প্রধানমন্ত্রী গৌরনদীতে জুলাই শহীদ পরিবার এবং জুলাইযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা গৌরনদীর ধানডোবাতে ‘এআই উদ্ভাবন ও বৈশ্বিক নেতৃত্ব’ শীর্ষক আলোচনা সভা জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার হবে: ইউজিসি চেয়াররম্যান প্রেমিকের সঙ্গে ঝগড়ার পর ১৯তলা থেকে লাফ, অলৌকিকভাবে বাঁচলেন তরুণী! পৌনে ৭ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

সাদ্দাম হোসেনের মেয়ের সাত বছরের কারাদণ্ড

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৯০ বার পঠিত

নিষিদ্ধ বাথ পার্টির প্রশংসা করা এবং তার প্রচারণা চালানোর অপরাধে সাবেক ইরাকি প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের মেয়েকে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন বাগদাদের একটি আদালত। গত রোববার এক রায়ে তার এই সাজার কথা জানা যায়। খবর এএফপি।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০২১ সালে এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে নিষিদ্ধ বাথ পার্টির কার্যক্রম প্রচার করার অপরাধে সাদ্দাম হোসেনের মেয়ে রাঘাদ সাদ্দামকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। তিনি সে সময় সৌদি মালিকানাধীন আল-আরাবিয়া চ্যানেলে ১৯৭৯ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত ইরাকে তার বাবার শাসনের প্রশংসা করেন।

রাঘাদ সাদ্দম বলেন, আমার বাবার সঠিক ও কঠোর শাসনে ইরাক অনেক সুশৃঙ্খল ও ভালো অবস্থানে ছিল। অনেকেই আমাকে বলেছেন, সাদ্দাম হোসেনের সময়টা আমাদের জন্য সত্যিই গৌরবের ছিল। সে সময় দেশটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ ছিল।

২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন আগ্রাসনের সময় সাদ্দাম হোসেনের পতন হয়। পরবর্তী সময়ে তার দল বাথ পার্টিকে বিলুপ্ত ও নিষিদ্ধ করা হয়। দেশটির আইন অনুসারে কেউ যদি ক্ষমতাচ্যুত শাসনের প্রচারের ছবি বা প্রশংসা করে বা প্রচার করে তাহলে তাদেরকে বিচারের মুখোমুখি করা হতে পারে।

রাঘাদ সাদ্দাম হোসেন বর্তমানে তার বোন রানার সঙ্গে জর্ডানে বসবাস করছেন। তার অনুপস্থিতিতেই বাগদাদের আদালত তারা বিরুদ্ধে সাত বছরের এ রায় ঘোষণা করেছে।

২০০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর সাদ্দাম হোসেনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। তার দুই ছেলে উদয় ও কুসে ২০০৩ সালে মসুলে মার্কিন সেনাবাহিনীর হাতে নিহত হয়।

অনেকে সাদ্দাম হোসেনের শাসনামলকে ইরাকের দমন-পীড়নের শাসনানমল বলে উল্লেখ করেন। তবে অনেকে আবার দাবি করেন, বর্তমান সময়ের চেয়ে সে সময়টা অনেক বেশি ভালো ছিল। দেশে সমৃদ্ধি ছিল, স্থিতিশীলতা ছিল, যার কোনোটাই এখন দেশটিতে অবশিষ্ট নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com