বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ অর্জন করেছে গৌরনদী উপজেলার টরকী বন্দর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী মাহজাবীন আদর। সে সাংবাদিক মোনাসেফ মামুনের বড় মেয়ে। তার এই সাফল্যে পরিবার, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্বজনদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় টরকী বন্দর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে ৮৭ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৬৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। বিদ্যালয়টির চারজন ছাত্রী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। তাদের মধ্যে মাহজাবীন আদর বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে।
মাহজাবীনের এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে তার নিয়মিত পড়াশোনা, অধ্যবসায় এবং শিক্ষকদের দিকনির্দেশনা। পাশাপাশি বাবা-মায়ের উৎসাহ ও সহযোগিতাও তাকে এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে মাহজাবীন আদর বলেন, “এই দেশ ও মাটিতে আমার জন্ম। আমি উচ্চশিক্ষা অর্জন করতে চাই। সুযোগ পেলে দেশের বাইরে গিয়ে পড়াশোনা করে জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করতে চাই।”
মাহজাবীনের সাফল্যে তার বাবা সাংবাদিক মোনাসেফ মামুন ও পরিবারের সদস্যরা আনন্দ প্রকাশ করেছেন। তারা মেয়ের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া ও শুভকামনা কামনা করেছেন।
বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলেন, মাহজাবীনের মতো শিক্ষার্থীদের সাফল্য অন্য শিক্ষার্থীদেরও ভালো ফলাফল অর্জনে উৎসাহিত করবে। কঠোর পরিশ্রম, নিয়মিত পড়াশোনা ও শিক্ষকদের নির্দেশনা অনুসরণ করলে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে আরও ভালো ফল করতে পারবে।
শিক্ষাজীবনের প্রথম বড় সাফল্য হিসেবে জিপিএ-৫ অর্জন করা মাহজাবীনের স্বপ্ন এখন আরও বড়। দেশ-বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে নিজের জ্ঞান ও মেধাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে দেশের জন্য কিছু করার প্রত্যাশা তার। তার এই স্বপ্ন ও সাফল্য গৌরনদীর অন্যান্য শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের জন্যও অনুপ্রেরণার বার্তা হয়ে উঠেছে।
গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি:
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ অর্জন করেছে গৌরনদী উপজেলার টরকী বন্দর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী মাহজাবীন আদর বার্থী গ্রামের প্রয়াত আঃ মজিদ হাওলাদারের নাতনি। সে সাংবাদিক মোনাসেফ মামুনের বড় মেয়ে। তার এই সাফল্যে পরিবার, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্বজনদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় টরকী বন্দর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে ৮৭ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৬৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। বিদ্যালয়টির চারজন ছাত্রী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। তাদের মধ্যে মাহজাবীন আদর বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে।
মাহজাবীনের এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে তার নিয়মিত পড়াশোনা, অধ্যবসায় এবং শিক্ষকদের দিকনির্দেশনা। পাশাপাশি বাবা-মায়ের উৎসাহ ও সহযোগিতাও তাকে এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে মাহজাবীন আদর বলেন, “এই দেশ ও মাটিতে আমার জন্ম। আমি উচ্চশিক্ষা অর্জন করতে চাই। সুযোগ পেলে দেশের বাইরে গিয়ে পড়াশোনা করে জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করতে চাই।”
মাহজাবীনের সাফল্যে তার বাবা সাংবাদিক মোনাসেফ মামুন ও পরিবারের সদস্যরা আনন্দ প্রকাশ করেছেন। তারা মেয়ের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া ও শুভকামনা কামনা করেছেন।
বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলেন, মাহজাবীনের মতো শিক্ষার্থীদের সাফল্য অন্য শিক্ষার্থীদেরও ভালো ফলাফল অর্জনে উৎসাহিত করবে। কঠোর পরিশ্রম, নিয়মিত পড়াশোনা ও শিক্ষকদের নির্দেশনা অনুসরণ করলে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে আরও ভালো ফল করতে পারবে।
শিক্ষাজীবনের প্রথম বড় সাফল্য হিসেবে জিপিএ-৫ অর্জন করা মাহজাবীনের স্বপ্ন এখন আরও বড়। দেশ-বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে নিজের জ্ঞান ও মেধাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে দেশের জন্য কিছু করার প্রত্যাশা তার। তার এই স্বপ্ন ও সাফল্য গৌরনদীর অন্যান্য শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের জন্যও অনুপ্রেরণার বার্তা হয়ে উঠেছে।
এ জাতীয় আরো খবর..