বৃহস্পতিবার, ১১:২২ অপরাহ্ন, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
২৩৮৬৫টি রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে : আইনমন্ত্রী এক লাখ টন ডিজেল কিনছে সরকার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে ‘জাতীয় সম্পদ’ ঘোষণা ইরানের সর্বোচ্চ নেতার টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সিলেটের নদ-নদীতে বেড়েছে পানি, বন্যার শঙ্কা গৌরনদী ইউএনওর বিরুদ্ধে ষরযন্ত্র করে মিথ্যাচার চালানোর অভিযোগ গৌরনদী পৌর এলাকায় উদ্বেকজনক মাত্রায় চুরির প্রবণতা বেড়েছে। দুই মাসের কর্মসূচি ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের অস্বাভাবিক হারে বাড়বে তেলের দাম, কটাক্ষ ইরানি স্পিকারের ৫ অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ৮ কর্মকর্তা বদলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময়

এক দিন স্কুলে না যাওয়ায় ৫০০ বার কান ধরে ওঠবস

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৯ আগস্ট, ২০২২
  • ১৮৬ বার পঠিত

টাঙ্গাইলের সরকারি শিশু পরিবারের (বালিকা) এক নারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিশু শিক্ষার্থীদের বেত্রাঘাত ও কান ধরে ওঠবস করানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা গতকাল রোববার দুপুরে অভিযোগ করলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক।

সূত্র জানায়, টাঙ্গাইল শিশু পরিবারে ৮৩ জন এতিম শিশু আছে। এছাড়া একজন বৃদ্ধাও রয়েছেন। আরও অনেক শিশু বাইরের বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে। বিদ্যালয়ে এক দিন অনুপস্থিত থাকায় একাধিক শিক্ষার্থীকে বেত্রাঘাত করেন শিশু পরিবারের দায়িত্বে থাকা সহকারী শিক্ষক বুশরাত জাহান। তিনি শিশুদের কানধরে ওঠবসও করান। শিশুরা প্রতিবাদ করলে নির্যাতনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়।

এরই মধ্যে বেত্রাঘাতে কয়েক শিশু অসুস্থ হয়েছে বলেও জানা গেছে। একপর্যায়ে রোববার একাধিক শিক্ষার্থী টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কাছে গিয়ে মৌখিকভাবে নির্যাতনের বিষয়টি জানায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানায়, ‘আমরা এতিম। তাই সরকারি শিশু পরিবারে থেকে পড়াশোনা করি। এক দিন বিদ্যালয়ে না যাওয়ার কারণে দায়িত্বে থাকা সহকারী শিক্ষক বুশরাত জাহান আমাদের একাধিকবার বেত্রাঘাত করেন এবং ৫০০ বার কান ধরে ওঠবস করান।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক বুশরাত জাহান বলেন, ‘আমি তাদের ভালোর জন্যই শাসন করেছি। এ ধরনের ভুল আমার আর হবে না।’

টাঙ্গাইল সরকারি শিশু পরিবারের (বালিকা) উপ-তত্ত্বাবধায়ক তানিয়া আক্তার বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে ওই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর চিঠি দেওয়া হয়েছিল। পরে তিনি সন্তোষজনক জবাব দিয়েছেন। বিষয়টির সমাধান হয়েছে।’

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. শাহ আলম বলেন, জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনি বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনি জানান, শিশুরা অভিযোগ নিয়ে এসেছিল। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com