সোমবার, ০৬:১৪ অপরাহ্ন, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, [bangla_date] , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
নামবিভ্রাটে ট্রেনে হামলার ঘটনায় আলোচনায় ‘ভুল’ অন্তরা ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের রায় যেকোনও দিন বাংলাদেশের ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে রাখাইনের বাসিন্দা হিসেবে মিয়ানমারের স্বীকৃতি পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেসের মুসলিম নেতা ও তার ছেলেকে গুলি করে হত্যা ১৮০ দিন পূর্তিতে সরকারের কর্মযজ্ঞের ১০ দিক তুলে ধরলেন মাহ্‌দী আমিন প্রধানমন্ত্রীকে সফরের আমন্ত্রণ সৌদির ক্রাউন প্রিন্সের হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু জুলাই বিপ্লব খালেদা জিয়ার দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সফল পরিণতি: আইনমন্ত্রী জিয়া পরিবার দেশের প্রতিটি সংকটে জাতিকে পথ দেখিয়েছে: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতার হাতুরি পেটা, যুবক হাসপাতালে 

বাংলাদেশের ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে রাখাইনের বাসিন্দা হিসেবে মিয়ানমারের স্বীকৃতি

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত

বাংলাদেশের বিভিন্ন শিবিরে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে যাচাই করেছে দেশটির সেনা-সমর্থিত সরকার। তবে রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত তাদের প্রত্যাবাসন শুরু করা হবে না বলে জানিয়েছে মিয়ানমার। বার্তাসংস্থা রয়তার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

সপ্তাহান্তে প্রকাশিত মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে পাঠানো ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জনের তালিকার মধ্যে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জনকে রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে যাচাই করা হয়েছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নের পর ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। এরপরও অনিশ্চিত স্থল ও সমুদ্রপথে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আসা অব্যাহত রয়েছে।

মিয়ানমারের দাবি, বাংলাদেশের পাঠানো তালিকায় থাকা ৪ হাজার ২৪১ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া আরও ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০৭ জনের পরিচয় বা তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে দেশটি।

মিয়ানমার বলছে, রাখাইন রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল ও উন্নত হওয়ার পরই রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরু করা হবে। বর্তমানে রাখাইনে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির তীব্র সংঘাত চলছে। গোষ্ঠীটি অঞ্চলটির জন্য আরও বেশি স্বায়ত্তশাসনের দাবি করে আসছে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনকে মিয়ানমার বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার ‘দ্বিপক্ষীয় বিষয়’ হিসেবে দেখছে। দেশটির দাবি, ২০১৮ ও ২০১৯ সালে প্রত্যাবাসনের জন্য দুই দেশ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত কোনো রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফিরে যায়নি।

এদিকে মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নেওয়া ৫ হাজার রোহিঙ্গাকেও ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে মিয়ানমার সম্মতি জানিয়েছে। তবে মালয়েশিয়া জানিয়েছে, প্রত্যাবাসনের ফলে রোহিঙ্গাদের জীবন ঝুঁকিতে পড়লে তারা এ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেবে না।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিস্থিতি, নাগরিকত্ব, চলাচলের স্বাধীনতা এবং বসবাসের অধিকার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে। ফলে বাংলাদেশে থাকা বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফেরানোর প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে, তা এখনো অনিশ্চিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com