শনিবার, ০৬:৫৮ অপরাহ্ন, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
দুপুরে হুমকি, বিকেলে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা, মৃত ভেবে ফেলে রাখা হয় যুবক আরিফকে ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নেইমারকে ছাড়াই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নামবে ব্রাজিল হরমুজে ফের উত্তেজনা, একাধিক ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি মার্কিন বাহিনীর ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন পরিকল্পনা, অভিবাসীদের পাঠানো হবে আফ্রিকায় বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যালারির অনেকটা ফাঁকা বগুড়ার চার উপজেলায় বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ ও সেলাই মেশিন উপহার, দরিদ্র পরিবারে আশার আলো জ্বালল বসুন্ধরা গ্রুপ বাজেট প্রতিক্রিয়া, বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি এফবিআইয়ের ড্রোন হ্যাকের দাবি, বিশ্বকাপে হামলার হুমকি ইরান-সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীর যুদ্ধ অবসানের চুক্তি হলে খুলে দেওয়া হবে হরমুজ প্রণালি: ইরান

ওয়ান ইলেভেনের ঘটনায় কেউ ছাড় পাবে না: চিফ প্রসিকিউটর

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৩১ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম ওয়ান ইলেভেনের সময়কার বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ওই সময়ে যারা ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন বা অপরাধে লিপ্ত ছিলেন, তারা যত বড় প্রভাবশালীই হোন না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

রবিবার (২৯ মার্চ) সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ১/১১ ও পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল; যারা এই দেশের গণতন্ত্র ও সুশাসন বিনষ্ট করার জন্য এবং আয়নাঘরসহ নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিল-সেরকম দু’জন কর্মকর্তার একজন মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবং অন্যজন মামুন খালেদ। ইতোমধ্যে তারা গ্রেপ্তার হয়েছে এবং অন্য মামলায় পুলিশ হেফাজতে বা রিমান্ডে আছে।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, তাদের অতীতের বহু কর্মকাণ্ড আমাদের মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত অপরাধের মধ্যে পড়ে। তাদের সকল অভিযোগ আমাদের এখনই প্রকাশ করার সুযোগ নেই। তবে আমরা মনে করি-তাদের অতীতের সকল কর্মকাণ্ড এই ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারভুক্ত অপরাধ এবং তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার হওয়া প্রয়োজন। এই দুষ্কৃতকারীদের উপযুক্ত শাস্তি হওয়া প্রয়োজন, যেন ভবিষ্যতে সরকারি দায়িত্বে থেকে আর কেউ এমন অপরাধ করার সাহস না পায়।
সিনিয়র এই আইনজীবী বলেন, তাদের কোনো বর্ণাঢ্য কর্মজীবন নেই; তাদের কর্মকাণ্ডগুলো মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতাভুক্ত। তারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে আয়নাঘরের মতো অমানবিক কাজ করেছে। ১/১১-এর সময় সেফ হাউস-এর মতো জায়গা তৈরি করে মানুষকে নির্যাতন, খুন ও গুম করেছে। এই রকম অসংখ্য অভিযোগ আমাদের কাছে আসছে। তদন্তের স্বার্থে সব এখন প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

আবু সাঈদের মামলা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ৯ তারিখে জাজমেন্টের জন্য আছে এবং স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চলবে। আমরা বিশ্লেষণ করে দেখেছি, আবু সাঈদের মামলায় যে আসামিদের অভিযুক্ত করা হয়েছে, সেখানে কেউ বাদ পড়েনি। তবে একজন আসামি সম্পর্কে আমরা তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি যে, ভিডিও ফুটেজে তাকে দেখা গেলেও ওই দিনের ঘটনায় তার সরাসরি অংশগ্রহণ ছিল না। কিন্তু ঠিক তার পরের দুই দিনের ঘটনায় তার সরাসরি অংশগ্রহণ আমরা পেয়েছি এবং সেই বিষয়ে আলাদা মামলা ও তদন্ত চলছে। আমরা তাকে ওই পরবর্তী দুটি মামলায় গ্রেপ্তারের জন্য আবেদন জানাব।

তিনি আরও বলেন, ১/১১ থেকে শুরু করে বিগত সরকার পর্যন্ত যারা রিং-লিডার ছিল, তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। সে যেই হোক বা যত শক্তিশালীই হোক, ট্রাইব্যুনাল স্বাধীনভাবে তাদের বিচার করবে। কোনো ইনডেমনিটি (দায়মুক্তি) আমাদের কর্মকাণ্ডে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com