শনিবার, ০২:৩০ অপরাহ্ন, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নেইমারকে ছাড়াই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নামবে ব্রাজিল হরমুজে ফের উত্তেজনা, একাধিক ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি মার্কিন বাহিনীর ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন পরিকল্পনা, অভিবাসীদের পাঠানো হবে আফ্রিকায় বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যালারির অনেকটা ফাঁকা বগুড়ার চার উপজেলায় বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ ও সেলাই মেশিন উপহার, দরিদ্র পরিবারে আশার আলো জ্বালল বসুন্ধরা গ্রুপ বাজেট প্রতিক্রিয়া, বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি এফবিআইয়ের ড্রোন হ্যাকের দাবি, বিশ্বকাপে হামলার হুমকি ইরান-সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীর যুদ্ধ অবসানের চুক্তি হলে খুলে দেওয়া হবে হরমুজ প্রণালি: ইরান কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

ব্যাংক খাতে দ্রুত বাড়ছে মন্দ ঋণ

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৪ মার্চ, ২০২৫
  • ১৬৩ বার পঠিত

ব্যাংক খাতে মন্দ মানের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ও হার দ্রুত বাড়ছে। বর্তমানে ব্যাংকগুলোর মোট খেলাপি ঋণের ৮৪ শতাংশের বেশি মন্দ মানের। টাকার অঙ্কে এর পরিমাণ ২ লাখ ৯১ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা। গত ছয় মাসে এই ঋণ বেড়েছে প্রায় সোয়া ১ লাখ কোটি টাকা। আর মন্দ ঋণ বৃদ্ধির কারণে ব্যাংকগুলোর প্রভিশন ঘাটতি বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। মূলত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে জাল-জালিয়াতি ও যোগসাজশের মাধ্যমে ঋণের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা বের করে নেওয়া হয়েছে। এসব ঋণের বিপরীতে প্রয়োজনীয় জামানত না থাকায় তা আদায়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

খেলাপি ঋণ আদায়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে সম্প্রতি অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন নতুন সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিরা। তারা জানিয়েছেন, ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি যতই প্রভাবশালী হন না কেন, তিনি বা তার গ্রুপভুক্ত কোনো প্রতিষ্ঠান ব্যাংক থেকে ঋণ সুবিধা পাবে না। পাশাপাশি জালিয়াতির মাধ্যমে নেওয়া কোনো ঋণ পুনঃতফসিলীকরণও হবে না। তবে এসব কথা আমরা আগেও অনেকের কাছে শুনেছি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুর্বল ভিত্তির ওপর বিতরণকৃত বা প্রদত্ত অনেক ঋণের অর্থ বিদেশে পাচার হয়ে গেছে। তাই পাচারকৃত অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা গেলে মন্দ হয়ে যাওয়া ঋণ পরিশোধে যেমন কাজে লাগানো যেত, তেমনই দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হতো। মন্দ ঋণ আদায় ও ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ ব্যাংক তথা বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রচলিত নীতিমালা অনুসরণ করেই অনেকটা এগিয়ে যাওয়া সম্ভব। তবে সে ক্ষেত্রে অহেতুক হস্তক্ষেপ বন্ধেরও নিশ্চয়তা প্রয়োজন। তা ছাড়া ঋণখেলাপিদের সদুপদেশ দিয়ে লাভ নেই। তালিকা করে তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। যেসব ঋণখেলাপি ইতোমধ্যে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন, তাদের দেশে ফেরত এনে অর্থ উদ্ধার করার দায়িত্ব সরকারেরই।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com