বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, ‘গত ১৭ বছরে ফ্যাসিস্ট সরকার দেশ শাসন করেছে। ফ্যাসিস্ট সরকার অন্য একটি দেশকে সুবিধা দেওয়ার জন্য নিজের মাটির নিচে থাকা কয়লা ও পাথরকে ধ্বংস করে তাদেরকে সুবিধা দিয়েছে। এতে দেশীয় লাভজনক খনিগুলো লোকসানে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।’
আজ মঙ্গলবার দিনব্যাপী দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি, তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও মধ্যপাড়া কঠিন শিলা প্রকল্প পরিদর্শনসহ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
জ্বালানিখাতকে শক্তিশালী করতে দেশীয় কয়লা সম্পদ ব্যবহারে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মনে করেন, দেশীয় সম্পদ আহরণ করে জনগণের উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে। আমরা এখানে এসেছি, সরেজমিনে দেখলাম। আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব। যেন এই পাথর ও কয়লার সর্বত্তোম ব্যবহার করা হয়।’
আজ সকলা ১০টায় জ্বালানিমন্ত্রী ও তার সফর সঙ্গীরা বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে এলে খনি কর্মকর্তারা অতিথিদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে তিনি বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির সভাকক্ষে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। পরে তিনি বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি প্রকল্পে যান। মধ্যপাড়ায় মতবিনিময় শেষে দুপুর আড়াইটায় তিনি বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্দেশে রওনা দেন।
এ সময় জ্বালানিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নারী ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জাতীয় সংসদের হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়াসহ মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, সাদিক রিয়াজ, এ জেড এম রেজওয়ানুল হক, জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রিয়াজ উদ্দিন, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. শাহ আলম, মধ্যপাড়া পাথর খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী ডি এম জোবায়েদ হোসেনসহ খনির ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা।
এদিকে মধ্যপাড়া পাথর খনিতে মতবিনিময় সভা শেষে খনির প্রধান কার্যালয় চত্বরে জ্বালানি মন্ত্রী ও তার সফর সঙ্গীরা চারটি ওষুধি গাছের চারা রোপন করেন।