রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে
সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শেয়ার জালিয়াতি একটি মামলার আসামি। দুর্নীতি, প্রতারণা, অবৈধ বল প্রয়োগের মাধ্যমে ব্যাংকের অর্থ লুট ও আত্মসাতের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে পারস্পরিক যোগসাজশে ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের নামে
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে সৃষ্টি হয়েছে শূন্যতা। সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। তবে এটি কেবল একটি সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতা নয়;
অসুস্থতাজনিত কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করায় সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার বীর বিক্রম মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এমপি। সংবিধান অনুযায়ী, আগামী ৯০
অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আগামীকাল শুক্রবারই (২৪ জুলাই) পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানিয়েছে, স্বাস্থ্যগত
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, কে সাংবাদিক, আর কে সাংবাদিক নয় তা নির্ধারণ করার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি। আজ (বৃহস্পতিবার) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তর করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে আইনি সুরক্ষা জোরদার, কর ব্যবস্থা সহজীকরণ, মুনাফা নির্বিঘ্নে
নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বঙ্গভবনের একাধিক সূত্র বিষয়টি দেশ রূপান্তরকে নিশ্চিত করেছে। আগস্টের প্রথম সপ্তাহে তিনি পদত্যাগ করতে পারেন। বঙ্গভবন সূত্র বলছে, সরকারের পক্ষ
মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে তাকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। এদিন ট্রাইব্যুনাল-২-এর
বিদ্যুৎ সঞ্চালন অবকাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রকল্পে ধারাবাহিক ব্যর্থতায় চুক্তি বাতিল; এমনকি কালো তালিকাভুক্ত হওয়ার পরও একই প্রতিষ্ঠানকে ফের আন্তর্জাতিক দরপত্রে অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়েছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পাওয়ার গ্রিড)। বিষয়টি