গত শুক্রবার দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। ফলে সর্বত্রই এখন আলোচনা- কে হচ্ছেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি; কে বসতে যাচ্ছেন বঙ্গভবনে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মানিত ব্যক্তির আসনে! ঘুরে-ফিরে বিএনপির কয়েকজন শীর্ষ
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের আদেশ সরকার প্রত্যাহার করেছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন সন্তোষজনক বিবেচনা করে শর্তসাপেক্ষে হাসপাতালটিকে পুনরায় কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়। সোমবার দুুপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এমপি বলেছেন, সাংবাদিকতা পেশা বর্তমানে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। তথ্যের অবাধ প্রবাহের এই সময়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ খুঁজে বের করে জনগণের সামনে তুলে ধরা সাংবাদিকদের
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে
সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শেয়ার জালিয়াতি একটি মামলার আসামি। দুর্নীতি, প্রতারণা, অবৈধ বল প্রয়োগের মাধ্যমে ব্যাংকের অর্থ লুট ও আত্মসাতের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে পারস্পরিক যোগসাজশে ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের নামে
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে সৃষ্টি হয়েছে শূন্যতা। সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। তবে এটি কেবল একটি সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতা নয়;
অসুস্থতাজনিত কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করায় সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার বীর বিক্রম মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এমপি। সংবিধান অনুযায়ী, আগামী ৯০
অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আগামীকাল শুক্রবারই (২৪ জুলাই) পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানিয়েছে, স্বাস্থ্যগত
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, কে সাংবাদিক, আর কে সাংবাদিক নয় তা নির্ধারণ করার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি। আজ (বৃহস্পতিবার) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তর করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে আইনি সুরক্ষা জোরদার, কর ব্যবস্থা সহজীকরণ, মুনাফা নির্বিঘ্নে