★গুনাহের শাস্তি অবশ্যই হবে সুরা আনআমের ১২০ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেন, তোমরা প্রকাশ্য পাপ কাজ পরিত্যাগ কর এবং পরিত্যাগ কর গোপনীয় পাপ কাজও। যারা পাপ কাজ করে তাদের অতিসত্বরই তাদের
পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পর নফল সালাতের মধ্যে সর্বোত্তম মর্যাদাপূর্ণ এবং বরকতময় সালাত হলো সালাতুত তাহাজ্জুদ। মাহে রমজানে সালাতুত তাহাজ্জুদের সাওয়াব এবং ফজিলত অন্যান্য মাসের নফল সালাতের চেয়ে বহুগুণ বেশি এবং
প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ-স্বাভাবিক মুসলমানের জন্য রমজানের রোজা রাখা ফরজ। তবে বিশেষ কোনো কারণে রোজা রাখতে অপারগ হলে শর্তসাপেক্ষে রোজা না রাখা বা ভঙ্গ করার অনুমতি আছে। সেই রোজা রমজান পরবর্তী সময়ে
রমজানুল মোবারক হিজরি বর্ষের নবম মাস। এ মাসের মর্যাদা ও মাহাত্ম্য অপরিসীম। এ মাসে বৃষ্টির মতো বর্ষিত হয় প্রভুর রহমধারা। মাগফিরাতের বন্যায় ভেসে যায় গুনাহের আবর্জনা। মুক্তি মেলে জাহান্নামের কঠিন
ইসলামের মৌলিক পাঁচটি স্তম্ভ রয়েছে। সেগুলোর মধ্যে রমজান মাসের রোজা অন্যতম ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় হিজরিতে কোরআনের আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা উম্মতের উপর রোজা ফরজ করেছেন। রমজানের রোজা কেউ যদি
আমরা যদি আত্মসমালোচনাপূর্বক নিজেদের প্রশ্ন করি, প্রকৃত অর্থেই আমাদের মূল্যবোধ, শিষ্টাচার- সৌজন্য, আচার-আচরণ, চিন্তাচেতনা ও আদর্শিক দিক দিয়ে সজাগ-সচেতনভাবে পবিত্র রমজান মাসকে রহমত, বরকত ও মাগফিরাত অর্জনের লক্ষ্যে আমরা কি
বছর ঘুরে প্রশান্তির বার্তা নিয়ে আবার এলো পবিত্র মাহে রমজান। পবিত্র এই মাসকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। প্রতি বছরেই কোন দেশে রমজানে কত ঘণ্টা রোজা
বছর ঘুরে রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের সওগাত নিয়ে আবার ফিরে এল মাহে রমজান। রমজান হিজরি সনের বিশেষ ও মহিমান্বিত একটি মাস। এ মাসে ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ফরজ বিধান রোজা পালন করা
বছর ঘুরে রহমত, মাগফিরাত আর নাজাতের সওগাত নিয়ে আবারো এসেছে পবিত্র মাহে রমজান। শুরু হলো সংযম সাধনার মাস। খোশ আমদেদ মাহে রমজান, আল্লাহ তাআলার অধিক থেকে অধিকতর নৈকট্য লাভের সেরা
হজরত তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ রা: থেকে বর্ণিত, হজরত রাসূলুল্লাহ সা: যখন নতুন চাঁদ দেখতেন, তখন এই দোয়া পড়তেন। দোয়াটি হলো- اللَّهُمَّ أهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالأمْنِ وَالإيمانِ، وَالسَّلاَمَةِ وَالإسْلاَمِ، رَبِّي وَرَبُّكَ اللهُ