পবিত্র কোরআনের ক্রমিক অনুযায়ী ৬৭ নম্বর সুরা হলো সুরা মুলক। এই সুরা অত্যন্ত তাৎপর্যমণ্ডিত। প্রথম আয়াত থেকেই ইসলামের মৌলিক শিক্ষাকে সংক্ষেপে হৃদয়গ্রাহী করে বর্ণনা করা হয়েছে। মহান আল্লাহর রাজত্ব, কর্তৃত্ব
সমাজে শিক্ষক মাত্রই বিশেষ মর্যাদার অধিকারী; ভালোবাসা, সম্মান ও শ্রদ্ধার পাত্র। সমাজের জ্ঞানী ব্যক্তিদের মধ্যে শিক্ষক অন্যতম। আজ যারা দেশের মানুষের সামনে জ্ঞান-গম্ভীর কথা বলছেন; অফিস-আদালতে কাজ করছেন তারা একদিন
পৃথিবীতে যখন ফেতনা-ফাসাদ, অন্যায়-অবিচার চরম আকার ধারণ করেছিল, পুরো পৃথিবী তখন আইয়ামে জাহেলিয়াতের মধ্যে নিমজ্জিত ছিল। কোথাও সুবিচার ছিল না, কোথাও শান্তি ছিল না। মানবজাতি ছিল পথহারা, দিশেহারা। হেদায়েতের সব
দুনিয়ায় যারা নম্রতার সাথে চলে; তাকওয়া অবলম্বন করে অর্থাৎ সবসময় আল্লাহর ভয়ে ভীতসন্ত্রস্ত থাকে তারাই হলো মুত্তাকি। তাই তো মহাগ্রন্থ পবিত্র কুরআনুল কারিমে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেছেন- ‘এটি সেই কিতাব
প্রতিটি জীবনের উত্থান-পতন আছে। সুদিন-দুর্দিন আছে। আছে তার সুখ-দুঃখের বিবরণ। আজ ভালো তো কাল মন্দ। এখন হাসি তো পরে কান্না। এভাবেই জোয়ার-ভাটার সমাহারে চলছে জীবনের নদী। এটিই সৃষ্টিকর্তার অমোঘ নীতি।
‘ইন্না লিল্লাহ’ শব্দ একটি ইসলামী পরিভাষা। এটি ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ বাক্যের সংক্ষেপিত রূপ। এ বাক্যটি সম্পর্কে ধর্মবিশ্বাসী কিংবা ধর্মবিদ্বেষী সবাই ওয়াকিবহাল। বিশেষ করে ধর্মপ্রাণ কিংবা ধর্মভীরু সব
অনাড়ম্বর জীবনযাপন বলতে বোঝায় সাধারণ, সাদাসিধে ও জাঁকজমকহীন জীবনযাপন করা। ইসলাম অনাড়ম্বর জীবনযাপন করাকে পছন্দ করে, বিলাসবহুল ও জাঁকজমকপূর্ণ জীবনযাপনকে অপছন্দ করে। সম্পদের লোভ : জাঁকজমকপূর্ণ জীবনযাপন করতে হলে প্রয়োজন
আল্লাহ তায়ালা এ পৃথিবীতে রাসূল সা:-কে প্রেরণ করেছিলেন এই দায়িত্ব দিয়ে, তিনি আল্লাহর একক ও অবিভাজ্য সার্বভৌমত্বের অধীনে সবধরনের বাতিল ব্যবস্থাকে উৎখাত করে একটি নতুন নিরাপদ পৃথিবী রচনা করবেন। আমাদের
রাসুল (সা.) বলেন, আমাকে সাতটি অঙ্গের ওপর সিজদা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কপাল, (এবং তিনি হাত দিয়ে নাকের দিকে ইশরা করে নাককেও এর অন্তর্ভুক্ত করেন,) আর দুই হাত, দুই হাঁটু,
কুরআন মাজিদের ১১৪টি সূরার মধ্যে সূরা ইখলাস ১১২তম সূরা। এতে রয়েছে চারটি আয়াত এবং একটি রুকু। কুরআন মাজিদের ছোট সূরাগুলোর মধ্যে এর স্থান দ্বিতীয়। সূরা ইখলাস ছোট হলেও এর মধ্যে