শুক্রবার, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
থাইল্যান্ডের সঙ্গে কূটনৈতিক অচলাবস্থা ভাঙলো মিয়ানমার ১০ তলা থেকে পড়ে গর্ভবতী নারীর মৃত্যু, অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল অনাগত শিশু! ইরান যুদ্ধ বদলে দিয়েছে ইউরোপের গ্রীষ্মকালীন ছুটির ভ্রমণচিত্র প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে স্বপ্নপূরণ অনুশ্রীর, মিলল হারমোনিয়াম উপহার ১৫ আগস্টের মধ্যেই একীভূত পাঁচ ব্যাংক থেকে সরছেন প্রশাসকরা ওমানের সঙ্গে চুক্তি হলেও এখনই খুলছে না হরমুজ, ঘোষণা ইরানের আগস্টের প্রথম ৫ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৬০ কোটি ২০ লাখ ডলার থাইল্যান্ডের সঙ্গে কূটনৈতিক অচলাবস্থা ভাঙলো মিয়ানমার সচিবালয়ে জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা পরিহার করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ সিলেটে শিশু ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড

হেনরি কিসিঞ্জার আর নেই

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১১৬ বার পঠিত

বহুল আলোচিত মার্কিন কূটনীতিবিদ, সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, নোবেল পুরস্কারজয়ী ব্যক্তিত্ব হেনরি কিসিঞ্জার পরলোকগমন করেছেন। বুধবার তিনি মারা যান বলে কিসিঞ্জার এসোসিয়েটস ইনকরপোরেশন জানিয়েছে। তিনি তার বাড়িতে মারা যান বলে জানানো হয়েছে। তার বয়স হয়েছিল ১০০ বছর।

কিসিঞ্জার ব্যাপকভাবে পরিচিত হয়ে ওঠেন ১৯৭০-এর দশকে একের পর এক যুগান্তরকারী ঘটনায় ভূমিকা রাখার জন্য। তিনি নিক্সন ও ফোর্ড প্রশাসনের অধীনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে ওই সময় গুরুত্বপূর্ণ অনেক কাজে হাত দিয়েছিলেন। জার্মানিতে জন্মগ্রহণকারী এই ইহুদি উদ্বাস্তু চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্ক সূচনায় নেতৃত্ব দেন, যুক্তরাষ্ট্র-সোভিয়েত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আলোচনা শুরু করেন, ইসরাইল এবং এর আরব প্রতিবেশীদের মধ্যে সম্পর্ক সম্প্রসারণ করেন, উত্তর ভিয়েতনামের সাথে প্যারিস শান্তিচুক্তি করেন।

তিনি ১৯২৩ সালে জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করেন। নাৎসি জার্মানি থেকে পলায়নপর পরিবারের সাথে ১৯৩৮ সালে তিনি প্রথম যুক্তরাষ্ট্র্রে আসেন। তিনি ১৯৪৩ সালে মার্কিন নাগরিকত্ব লাভ করে তিন বছর মার্কিন সেনাবাহিনীতে কাজ করেন। পরে কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সিতেও দায়িত্ব পালন করেন।

ব্যাচেলার, মাস্টার্স এবং পিএইচডি ডিগ্রির পর তিনি হার্ভার্ড থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্কে ডিগ্রি নেন।

তিনি ১৯৬৯ সালে ওই সময়ের রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের জাতীয় উপদেষ্টা হন। এই পদটি তাকে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে ব্যাপক প্রভাব এনে দেয়। নিক্সন প্রশাসনে তিনি পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। পরে তিনি ফোর্ড প্রশাসনেও একই দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি ১৯৭৭ সালে সরকারি দায়িত্ব ত্যাগ করলেও সরকারি বিভিন্ন বিষয়ে অভিমত প্রদান অব্যাহত রাখেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রেসিডেন্ট ও আইনপ্রণেতা তার কাছ থেকে নিয়মিত পরামর্শ নিতেন।

তিনি বেশ কয়েকটি কোম্পানির পরিচালনা পরিষদেও কাজ করেছেন। এছাড়া লিখেছেন ২১টি গ্রন্থ।

বর্তমান স্ত্রীর সাথে তার দাম্পত্য জীবন রয়েছে ৫০ বছর ধরে। তার আগের স্ত্রীর মাধ্যমে তার দুই সন্তান এবং পাঁচ নাতি-নাতনি রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com