শনিবার, ১২:৫১ অপরাহ্ন, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নেইমারকে ছাড়াই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নামবে ব্রাজিল হরমুজে ফের উত্তেজনা, একাধিক ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি মার্কিন বাহিনীর ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন পরিকল্পনা, অভিবাসীদের পাঠানো হবে আফ্রিকায় বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যালারির অনেকটা ফাঁকা বগুড়ার চার উপজেলায় বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ ও সেলাই মেশিন উপহার, দরিদ্র পরিবারে আশার আলো জ্বালল বসুন্ধরা গ্রুপ বাজেট প্রতিক্রিয়া, বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি এফবিআইয়ের ড্রোন হ্যাকের দাবি, বিশ্বকাপে হামলার হুমকি ইরান-সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীর যুদ্ধ অবসানের চুক্তি হলে খুলে দেওয়া হবে হরমুজ প্রণালি: ইরান কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল চালু

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৪৯ বার পঠিত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আজ শনিবার (১৫ নভেম্বর) থেকে সারাদেশে চালু হলো ‘মিড-ডে মিল’ বা স্কুল ফিডিং কর্মসূচি। নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বাস্তবায়ন করছে এই কর্মসূচি, যা ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান এবং ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’র প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, দেশের নির্বাচিত ১৫০টি উপজেলার ১৯ হাজার ৪১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩১ লাখ ১৩ হাজার শিক্ষার্থীকে সপ্তাহে পাঁচ দিন পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীরা রবিবার পাবেন বনরুটি ও সিদ্ধ ডিম, সোমবার বনরুটি ও ইউএইচটি দুধ, মঙ্গলবার ফর্টিফাইড বিস্কুট ও কলা বা মৌসুমি ফল, আর বুধবার ও বৃহস্পতিবার পাবেন বনরুটি ও সিদ্ধ ডিম।

প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানান, এই কর্মসূচির মাধ্যমে বিদ্যালয়ে শিশুদের উপস্থিতির হার ৮০ শতাংশের বেশি হবে এবং ঝরে পড়া হার কমবে। এছাড়া বিদ্যালয়ে ভর্তির হার বাড়বে, শিশুদের ধরে রাখার হার ৯৯ শতাংশে উন্নীত হবে এবং পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণের হার ৯০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পাবে।

প্রকল্পটির মাধ্যমে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এই কর্মসূচি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com