সোমবার, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
মাদকব্যবসায়ীদের ও মাদকসেবীর হামলায় গৌরনদী প্রেসক্লাবের সম্পাদকসহ আহত ২ সারা দেশে নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান পর্যটনমন্ত্রীর পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ, ডিএনসিসি প্রশাসক ও এমপির ওপর হামলার অভিযোগ সৌদি জোটে যোগদান ইরানকে আঘাত করা নয়: প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তরুণ উদ্ভাবকরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ : প্রধানমন্ত্রী মহাসড়কে দিনেদুপুরে বাসে ডাকাতি, গুলিবিদ্ধসহ আহত ৩ রাজধানীতে পরিদর্শনে গিয়ে ‘হামলার শিকার’ ডিএনসিসি প্রশাসক ও এমপি গার্মেন্টস কর্মীকে হত্যা মামলায় প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড রিজেন্টের সাহেদকে এক বছরের সাজার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল

চট্টগ্রামে শুরু হয়েছে ৫৪তম জশনে জুলুস

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৫৭ বার পঠিত

চট্টগ্রামে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে শুরু হয়েছে ৫৪তম জশনে জুলুস। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরীর জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে খানকাহ শরিফ থেকে জুলুসের বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়।

এর আগে এদিন সকাল থেকেই নগরীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দলে দলে মুসল্লিরা জামিয়া প্রাঙ্গণে জড়ো হতে থাকেন। পরে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জুলুস আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। এ সময় ভক্ত-অনুরাগীদের ধর্মীয় স্লোগান ও কালেমায় মুখরিত হয়ে ওঠে মুরাদপুর এলাকা।

চট্টগ্রাম বিভাগের প্রতিটি জেলা-উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত লাখ লাখ মুসল্লি জুলুসে অংশগ্রহণ করেন। জশনে জুলুসের নেতৃত্ব দেন আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ (মাদজাল্লাহু আলি), আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের চেয়ারম্যান। জুলুসে অংশ নেন ট্রাস্টের বিভিন্ন দায়িত্বশীল ও আলেম-ওলামারা।

জুলুসে নেতৃত্ব দিতে এসে আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ বলেন, জশনে জুলুস হচ্ছে নবীপ্রেমের সোনালী প্রদীপ। লাখো মানুষের এই অংশগ্রহণ প্রমাণ করে, মুসলমানরা নবীজির (সা.) ভালোবাসায় সর্বদা ঐক্যবদ্ধ। ১৯৮০ সাল থেকে শুরু হওয়া এই জুলুস এখন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সমাবেশে পরিণত হয়েছে। চট্টগ্রাম আজ ঈমান, ভ্রাতৃত্ব ও মানবতার মহোৎসবে রূপ নিয়েছে।

পথে পথে দেখা যায় এক অনন্য দৃশ্য। প্রতিটি মোড়ে শরবত, পানি ও তাবাররুকের ব্যবস্থা রেখেছেন স্বেচ্ছাসেবকরা। ছোট্ট শিশুরাও হাতে শরবতের গ্লাস নিয়ে ভক্তদের আপ্যায়ন করছে। বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও এ সেবায় অংশ নিয়েছে। ফলে পুরো জুলুস রূপ নিয়েছে অতিথি আপ্যায়ন আর ভ্রাতৃত্বের মহা উৎসবে।

চট্টগ্রামে জশনে জুলুস শুরু হয় ১৯৮০ সালে। টানা ৫৪ বছর ধরে আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট এই আয়োজন করে আসছে। ঐতিহ্যবাহী এ জুলুস এখন শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বব্যাপী সুন্নি মুসলমানদের কাছে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত। প্রতিবছর লাখো ভক্ত-অনুরাগীর সমাগমে এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় শোভাযাত্রায় রূপ নিয়েছে।

এদিকে জুলুসকে ঘিরে আগে থেকেই নগরীতে চলে আলোকসজ্জা। মসজিদ, মাদ্রাসা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মাহফিল ও দোয়ার আয়োজন হয়। পুরো চট্টগ্রাম শহর যেন সাজে নবীপ্রেমের রঙে, আলোকিত হয়ে ওঠে প্রতিটি সড়ক, প্রতিটি গলি।

একজন আগত মুসল্লি অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, আমরা প্রতিবছর এখানে আসি শুধু একবার নবীজির (সা.) শানে মিলিত হতে। লাখো মানুষের এই সমাবেশে অংশ নেওয়া সত্যিই অন্যরকম এক শান্তির অনুভূতি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com