বৃহস্পতিবার, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, ১১ জুন ২০২৬, ২৮শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
সম্প্রচারস্বত্ব: প্রশ্নের মুখে আওয়ামী লীগ আমল, আলোচনায় জহির উদ্দিন স্বপনের প্রশংসনীয় উদ্যোগ চীনে চায়না মিডিয়া গ্রুপের ৫ম সম্মেলন উদ্বোধন করলেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন ১১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানি করবে সরকার ৩০ বছর পর কবর থেকে তোলা হবে সালমান শাহ’র লাশ ‘এক বছরের মধ্যে ঝিলমিলে বাড়ি নির্মাণের পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে’ দেশে জলাতঙ্ক বা অ্যান্টি-র‍্যাবিস ভ্যাকসিনের কোনো সংকট নেই: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সময়ক্ষেপণের জন্য ইরানকে এখন মূল্য দিতে হবে, হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, সরকারি হাসপাতালে ২৩ হাজারের বেশি পদ শূন্য ৫ জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর উদ্যোগ অতিরিক্ত সার ব্যবহারে মাটির উর্বরতা কমে গেছে: কৃষিমন্ত্রী

মাত্র ১৬ বছর বয়সে বিয়ে করেন শ্রাবন্তী

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৩
  • ১৭২ বার পঠিত

মা-বাবা ছাড়া জীবন অন্ধকার শ্রাবন্তীর। অন্যদিকে বড়পর্দার নায়িকা হওয়ার সুবাদে জীবনে জড়িয়েছে বহু বিতর্ক।

মেয়ের এই কাণ্ডের জন্য কী করেছিলেন তার মা-বাবা? টালিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের জীবনটাও যেন অভিনয়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেকটা সিনেমার মতোই হয়ে গেছে।

জীবনে এসেছে বহু চড়াই-উতরাই। অভিনয়ের থেকেও তার ব্যক্তিগত জীবন বারবার উঠে এসেছে শিরোনামে।

মাত্র ১৬ বছর বয়সে পরিচালক রাজীব কুমার বিশ্বাসকে বিয়ে করেন শ্রাবন্তী। কিন্তু সেই সম্পর্ক টিকেনি। বিয়ের ১৩ বছর পর রাজীবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কের বিচ্ছেদ ঘটে।

তার পর শ্রাবন্তীর জীবনে এসেছেন একাধিক পুরুষ। শ্রাবন্তীর এই বর্ণময় জীবন নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন ছিল তার পরিবারের লোক কিছু বলেন না? মা-বাবার কি প্রতিক্রিয়া?

মেয়ের জীবনে এত ঝড় এলে তার মা-বাবা কি বসে থাকবেন? সন্তান ভুল পদক্ষেপ নিলে তারা কি চুপ থাকবেন? কখনো না। শ্রাবন্তীর মা-বাবাও কিন্তু চুপ ছিলেন না।

ক্যামেরার সামনে তারা বললেন, কী করেছিলেন মেয়ের সঙ্গে। মাত্র ১৬ বছর বয়সে মেয়ের বিয়ে করা কোনো মা-বাবার পক্ষেই মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।

যদিও সেই ঘটনার কথা অবশ্য উল্লেখ করেননি তারা। তবে তাদের কথায় স্পষ্ট যে, এমন সিদ্ধান্তের জন্যই মা-বাবাকে ক্ষুব্ধ করেছিলেন শ্রাবন্তী।

তারা বলেন, আমরা মেয়ের সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছিলাম। ওটাই ওর জীবনের বড় শাস্তি। রিয়্যালিটি শো ‘হ্যাপি পেরেন্টস ডে’-তে এসে সেই শাস্তি পাওয়ার কথাই ক্যামেরার সামনে বলেন শ্রাবন্তীর মা ও বাবা।

মা-বাবা যখন এই কথাগুলো বলছিলেন, তখন মুখে কোনো কথা নয়, চোখ দিয়ে শুধুই পানি গড়িয়ে পড়ছিল শ্রাবন্তীর।

সেই পানিই মনে হয় বলে দেয় নায়িকার আক্ষেপের কথা। যদিও এত কিছুর মধ্যে নায়িকার একটাই কথা, তার পৃথিবীতে ভালোবাসার মানুষ চারজন। ছেলে ঝিনুক, দিদি আর মা-বাবা। তাদের ছাড়া শ্রাবন্তীর পৃথিবী অন্ধকার।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com