শুক্রবার, ০৪:৫০ অপরাহ্ন, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, [bangla_date] , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।

২০০ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসিতে কার্যকর হতে যাচ্ছে নারীর মৃত্যুদণ্ড

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩৬ বার পঠিত

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে হত্যাকাণ্ডের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারী ক্রিস্টা পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পথ পরিষ্কার করে দিয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। বুধবারের এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ২০০ বছর পর টেনেসিতে কোনো নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৫০ বছর বয়সী পাইককে প্রায় তিন দশক আগে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ১৯৯৫ সালে ১৮ বছর বয়সে তিনি তার সহপাঠী কোলিন স্লেমারকে হত্যার মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন।

পাইককে মৃত্যুদণ্ড থেকে রেহাই দেওয়ার আবেদন সম্প্রতি টেনেসির গভর্নর বিল লি প্রত্যাখ্যান করেন। তার আইনজীবীরা আবেদনে পাইকের শৈশবের নির্যাতন, যৌন নিপীড়ন ও মানসিক স্বাস্থ্যের ইতিহাসের কথা তুলে ধরে মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আবেদন করেছিলেন। গভর্নর ২৮ সেপ্টেম্বর সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন।

এরপর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক ঘণ্টা আগে ষষ্ঠ সার্কিট আপিল আদালতের তিন বিচারকের একটি বেঞ্চ সাময়িক স্থগিতাদেশ দেয়। পাইকের আইনজীবীরা যুক্তি দিয়েছিলেন, সাজা দেওয়ার সময় তার শৈশবের যৌন নির্যাতনের প্রমাণ যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি।

টেনেসির অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় দ্রুত সুপ্রিম কোর্টে স্থগিতাদেশ বাতিলের আবেদন করে। পরে সুপ্রিম কোর্ট নিম্ন আদালতের স্থগিতাদেশ তুলে নিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পথ খুলে দেয়।

টেনেসি ডিপার্টমেন্ট অব কারেকশন আগে জানিয়েছিল, ন্যাশভিলের রিভারবেন্ড ম্যাক্সিমাম সিকিউরিটি ইনস্টিটিউশনে ৩০ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরিকল্পনা ছিল।

পাইক টেনেসির একমাত্র নারী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দী ছিলেন। তার মামলাটি আরও আলোচিত হয়েছে কারণ যে অপরাধে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, সেটি সংঘটনের সময় তার বয়স ছিল ১৮ বছর। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আধুনিক যুগে টেনেসিতে কিশোর বয়সে সংঘটিত অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড পাওয়া একমাত্র ব্যক্তি তিনিই।

যুক্তরাষ্ট্রে নারীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ঘটনা তুলনামূলকভাবে বিরল। ১৯৭৬ সালে দেশটিতে মৃত্যুদণ্ড পুনরায় চালুর পর বুধবার পর্যন্ত ১ হাজার ৬৮৩ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। এর মধ্যে ১৭ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে টেনেসি অঙ্গরাজ্যে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com