রেমিট্যান্স যোদ্ধা রা দেখবেন সবজায়গায় অবহেলিত। কিছুদিন আগে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় আমাদের অনেক রেমিট্যান্স যোদ্ধারা মাথার৷ উপর দিয়ে মিসাইল গিয়েছিলো আমি নিজেও অশান্তি ভোগ করেছি আমি এম এ রউফ কয়েক যুগ ধরে রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ নামে পরিচিত আপনারা জানেন। ইউরোপ মধ্যপ্রাচ্য রেমিট্যান্স যোদ্ধা নামে পরিচিত।
মিসাইল হামলায় নিহত হয়েছেন — কেউ কুয়েতে, কেউ বাহরাইনে, কেউ আরও কোথাও। তারা কিন্তু শহীদ। আর গতকাল একটা কারখানায় আগুনে আরও ১৬ জন প্রবাসী বাংলাদেশি রেমিট্যান্স যোদ্ধা পরিবার।
পুড়ে মারা গেলেন। ঘুমের মধ্যেই শেষ হয়ে গেল ১৬টা জীবন। আমরা রেমিট্যান্স যোদ্ধা দেশের উন্নয়নের চালিকাশক্তি হিরো হিরোইন। দুঃখের সহিত বলতে হয়।
একটার পর একটা লাশ ফিরছে দেশে, অথচ এই পরিবারগুলোর খবর কে রাখছে? এখানকার কারখানায় শ্রমিকদের থাকার জায়গায় ফায়ার সেফটি বলতে কিছু ছিল কি না, এই প্রশ্নটা কেউ তুলছে না। এদেশে শ্রমিকের জীবনের চেয়ে কারখানার মুনাফা বড় হয়ে গেছে।
এখানকার একজন স্থানীয় নাগরিক শহীদ হলে তার নামে মসজিদ হয়, তার পরিবারের দায়িত্ব রাষ্ট্র নেয়। আর আমাদের এতগুলো প্রবাসী মারা গেলেন — মিসাইলে, আগুনে — কই, তাদের নামে তো কিছুই হয় না।
আর আমাদের নিজের দেশের অবস্থা দেখুন — এতগুলো প্রাণ শেষ হলো অথচ শুধু লাশ রিসিভ করেই যেন দায়িত্ব শেষ।
দুই দিকেই একই গল্প — যে দেশে আমরা রক্ত পানি করে কাজ করি, সেখানে আমাদের নিরাপত্তার কোনো মূল্য নাই। আর যে দেশের জন্য এত টাকা পাঠাই, সেখানেও আমাদের মৃত্যুর কোনো দাম নাই।
আহ আমরা রেমিট্যান্স যোদ্ধা তোমার কোনো মূল্য নাই — না প্রবাসের মাটিতে, না নিজের দেশে। আজ তুমি ইউরোপ-আমেরিকায় থাকলে ঠিকই কদর পেতে। তাই সন্তানদের এমনভাবে গড়ে তুলুন, যেন তারা এমন দেশে যেতে পারে যেখানে মানুষের জীবনের মূল্য সবার আগে।
আল্লাহ নিহত সব ভাইদের জান্নাতবাসী করুন, শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোকে ধৈর্য ধারণের তৌফিক দিন।
ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। মানুষ হিসাবে পরিচিত ভূল হতে পারে।।
আপনারা শুদ্ধ করে দিবেন।
আমি শুদ্ধ করে নিবো।
নিবেদন রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ
সংগঠক। উদ্যোক্তা। সদস্য সচিব
স্পিকার
এম এ রউফ