আইআরজিসি এক বিবৃতিতে সতর্ক করে বলেছে, ইসরায়েল আবার হামলা চালালে ইরানের প্রতিক্রিয়া বড় হবে এবং এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের স্বার্থসংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুও এর আওতায় আসতে পারে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতার সামরিক উপদেষ্টা মোহসেন রেজাই বলেছেন, ইরান বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন ও লেবাননের বিরুদ্ধে আগ্রাসন মেনে নেবে না বলে জানিয়েছিল। তার ভাষায়, ‘ইসরায়েলের হামলা ছিল একটি সতর্কবার্তা। নতুন কোনো আগ্রাসনের জবাব আরো কঠোর হবে।’
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে ফোন করে ইরানের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা না চালানোর আহ্বান জানাবেন। ইসরায়েলের চ্যানেল ১২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানের হামলায় কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। আশা করি, ইসরায়েলও পাল্টা হামলা করবে না।
ইসরায়েল ও ইরান উভয়েই তাদের বার্তা দিয়েছে, এখন আর নতুন সংঘাতের প্রয়োজন নেই।’
তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি চূড়ান্ত চুক্তির খুব কাছাকাছি রয়েছে এবং বর্তমান পরিস্থিতির কারণে সেই প্রচেষ্টা ভেস্তে যাক, তা তিনি চান না। তবে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এর আগে জানিয়েছিলেন, ইরানের হামলার জবাবে তারা ‘শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া’ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।