আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহলে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু—কে হচ্ছেন আগামী দিনের জনপ্রতিনিধি। এবারের নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে সাধারণ ভোটার ও তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন তরুণ ও জনবান্ধব মুখ তানিয়া মাহমুদ।
জনগণের আস্থার প্রতীক
দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতির মাধ্যমে অসহায় মানুষের পাশে থেকে তানিয়া মাহমুদ সাধারণ মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। স্থানীয় নারী ভোটারদের মতে, তানিয়া মাহমুদ একজন শিক্ষিত ও মার্জিত ব্যক্তি। বিপদে-আপদে তাকে সব সময় পাশে পাওয়া যায়। তাই এবারের নির্বাচনে তাকে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ।
প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময়
নির্বাচনী মাঠের চিত্র বলছে, তানিয়া মাহমুদ ইতিমধ্যেই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামগুলোতে ব্যাপক গণসংযোগ শুরু করেছেন। উঠান বৈঠক ও কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে তিনি নারী অধিকার রক্ষা, বাল্যবিবাহ রোধ এবং নারী উন্নয়নে নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরছেন। তার এই স্বতঃস্ফূর্ত পদচারণা সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
তানিয়া মাহমুদ
নিজের প্রার্থিতার বিষয়ে তানিয়া মাহমুদ বলেন:
”আমি ব্যক্তিগত লাভের আশায় নয়, বরং গৌরনদী উপজেলার অবহেলিত নারীদের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করতে চাই। আমি বিশ্বাস করি, জনপ্রতিনিধি হওয়া মানে জনগণের সেবক হওয়া। দল এবং সাধারণ মানুষ পাশে থাকলে আমি এই উপজেলায় একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হব ইনশাআল্লাহ।”
ভোটারদের প্রত্যাশা
উপজেলার কয়েকজন সাধারণ ভোটারের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা এবার এমন একজনকে নির্বাচিত করতে চান যিনি কেবল নির্বাচনের সময় নয়, বরং সারা বছর তাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকবেন। সেই বিচারে তানিয়া মাহমুদকে তারা যোগ্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করছেন।
রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, তানিয়া মাহমুদ যদি এই গতিতে তার প্রচারণা অব্যাহত রাখতে পারেন এবং তৃণমূলের সমর্থন ধরে রাখতে পারেন, তবে আসন্ন নির্বাচনে গৌরনদী উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে তিনি বড় ব্যবধানে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।