সোমবার, ০৩:১৯ অপরাহ্ন, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।

ইরানে কি স্থল হামলার নির্দেশ দেবেন নাজেহাল ট্রাম্প

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত

ইরানে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে হোয়াইট হাউসের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে জড়ো হচ্ছেন মার্কিন সেনারা। আলোচনা ব্যর্থ হলে ট্রাম্প একটি চূড়ান্ত সামরিক আঘাত হানার পরিকল্পনা করছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এশিয়া থেকে মার্কিন নৌবাহিনীর ৩১ ও ১১তম এক্সপেডিশনারি ইউনিটের হাজার হাজার মেরিন সেনাকে ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের প্রায় দুই হাজার ছত্রীসেনাও সেখানে যাচ্ছেন। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, স্থলবাহিনী ব্যবহার ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র তাদের লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হবে বলে তার বিশ্বাস। আগামী সপ্তাহে মেরিন সেনারা অবস্থান নিলে ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর জন্য চাপ প্রয়োগ করতে কিংবা ওই নৌপথ অবরোধে ইরানের সক্ষমতা ধ্বংস করতে হামলার নির্দেশ দিতে পারেন। যদিও দীর্ঘমেয়াদি স্থলযুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় সাঁজোয়া যান ও অন্যান্য রসদের অভাব সংঘাত আরও বিস্তৃত করার ক্ষেত্রে হোয়াইট হাউসের ক্ষমতা সীমিত করবে।

মূল লক্ষ্যবস্তু হতে পারে ইরানের উপকূলের কাছাকাছি মাত্র ৯ বর্গমাইল আয়তনের খার্গ দ্বীপ। এখান দিয়ে ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি হয়।

এই দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া ইরানের অর্থনীতির জন্য একটি মারাত্মক ধাক্কা হবে। তবে ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের তুলনায় এবার সেনা পাঠানো হয়েছে অনেক কম। আর ড্রোন ও রকেট হামলার মুখে এই দ্বীপে উভচর অবতরণ মার্কিন সেনাদের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ হবে। এ ছাড়া হরমুজ প্রণালির কেশম, লারাক ও আবু মুসার মতো অন্যান্য দ্বীপও যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। সেনা মোতায়েনের আরেকটি বড় কারণ হতে পারে ইরানের নিখোঁজ হওয়া ৪৪০ কেজি অতিমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের সন্ধান। গত জুনে মার্কিন হামলার পর এই ইউরেনিয়াম নিখোঁজ হয়। তবে ইরানের অভ্যন্তরে গিয়ে এই উদ্ধার অভিযান চালানো মার্কিন সেনাদের জন্য কয়েক সপ্তাহের একটি বিপজ্জনক মিশন হবে।

পররাষ্ট্রনীতি বিশ্লেষক ম্যাক্স বুট বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনে মার্কিন সেনাদের প্রাণহানি নিয়ে চরম উদ্বেগ রয়েছে। তাই বড় পরিসরে স্থলবাহিনী ব্যবহারের সম্ভাবনা খুবই কম।

আপাতত ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ধ্বংস করার হুমকি ৬ এপ্রিল পর্যন্ত স্থগিত করেছেন। তবে আলোচনা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের বর্তমান সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহার করেই ইরানে হামলা জোরদার করতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com