বৃহস্পতিবার, ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, ১১ জুন ২০২৬, ২৮শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
সম্প্রচারস্বত্ব: প্রশ্নের মুখে আওয়ামী লীগ আমল, আলোচনায় জহির উদ্দিন স্বপনের প্রশংসনীয় উদ্যোগ চীনে চায়না মিডিয়া গ্রুপের ৫ম সম্মেলন উদ্বোধন করলেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন ১১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানি করবে সরকার ৩০ বছর পর কবর থেকে তোলা হবে সালমান শাহ’র লাশ ‘এক বছরের মধ্যে ঝিলমিলে বাড়ি নির্মাণের পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে’ দেশে জলাতঙ্ক বা অ্যান্টি-র‍্যাবিস ভ্যাকসিনের কোনো সংকট নেই: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সময়ক্ষেপণের জন্য ইরানকে এখন মূল্য দিতে হবে, হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, সরকারি হাসপাতালে ২৩ হাজারের বেশি পদ শূন্য ৫ জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর উদ্যোগ অতিরিক্ত সার ব্যবহারে মাটির উর্বরতা কমে গেছে: কৃষিমন্ত্রী

সাইফ আলি খানের ১৫ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি দখলে নিচ্ছে মোদি সরকার

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৫ জুলাই, ২০২৫
  • ৭৩ বার পঠিত

চলতি বছরটা একের পর এক ধাক্কা নিয়ে এসেছে বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানের জীবনে।

বছর শুরুর দিকে নিজ বাড়িতে হামলার শিকার হওয়ার পর এবার আরও বড় বিপদের মুখোমুখি হলেন ‘নবাব’ খ্যাত এই অভিনেতা।

উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি হাতছাড়া হতে চলেছে তার।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, পতৌদি পরিবারের ঐতিহাসিক এই সম্পত্তি সরকারের অধিগ্রহণের পথে রয়েছে।

সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট সাইফ আলি খানের করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।

এর ফলে সম্পত্তিটি ‘শত্রু সম্পত্তি’ হিসেবে সরকারের হস্তগত হওয়ার পথ প্রশস্ত হয়েছে।

যেভাবে শুরু হলো এই বিতর্ক

বিতর্কের সূচনা ২০১৪ সালে, যখন মধ্যপ্রদেশ সরকার ঘোষণা দেয়—ভোপালের শেষ নবাব হামিদুল্লাহ খানের সম্পত্তি ‘এনেমি প্রোপার্টি অ্যাক্ট ১৯৬৮’-এর আওতায় আনা হবে।

কারণ, নবাবের জ্যেষ্ঠ কন্যা আবিদা সুলতান ১৯৫০ সালে পাকাপাকি ভাবে পাকিস্তানে চলে যান। সরকারের যুক্তি—বিদেশে বসবাসরত উত্তরাধিকারীর সম্পত্তি এখন রাষ্ট্রের মালিকানায় পড়বে।

এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে আদালতের দ্বারস্থ হন সাইফ আলি খান।

দীর্ঘ সময় মামলাটি স্থগিত থাকলেও ২০২৪ সালের ১৩ ডিসেম্বর হাইকোর্ট সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নেয়।

আর চলতি বছরের জুলাইয়ে আদালত সাইফের আবেদন চূড়ান্তভাবে খারিজ করে দেয়।

শত্রু সম্পত্তি আইনের পটভূমি

১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় প্রণীত ‘এনেমি প্রোপার্টি অ্যাক্ট’ অনুযায়ী, যেসব নাগরিক ভারত ছেড়ে পাকিস্তান বা চীনে স্থায়ী হন, তাদের রেখে যাওয়া সম্পত্তি রাষ্ট্রের অধীনে চলে যায়।

ভোপালের শেষ নবাব হামিদুল্লাহ খান ছিলেন সাইফ আলি খানের দাদার শ্বশুর। তার কন্যা সাজিদা সুলতান, যিনি ভারতে থেকে যান, তিনিই আইনত এই সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হন। সাইফ আলি খান তারই নাতি।

২০১৯ সালে আদালত স্বীকৃতি দিয়েছিল সাজিদা সুলতানের উত্তরসূরি হিসেবে সাইফ আলি খান সম্পত্তির দাবিদার। কিন্তু তার ফুফু আবিদা সুলতান পাকিস্তানে চলে যাওয়ায় বিষয়টি জটিল হয়ে পড়ে। সরকার সেই সুযোগে পুরো সম্পত্তিকে শত্রু সম্পত্তি হিসেবে দাবি করে।

বর্তমানে আদালতের রায়ের ফলে সাইফ আলি খানের দাবি বাতিল হয়ে গেছে। আর প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার বিশাল সম্পত্তি ভারত সরকারের হেফাজতে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com