বৃহস্পতিবার, ০৭:২৮ পূর্বাহ্ন, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
ভারী বৃষ্টিতে আবারও তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে দ্য ন্যাশনাল নিউজের প্রতিবেদন ,হরমুজ সংকটে বদলে যাচ্ছে বৈশ্বিক এলএনজি বাজারের সমীকরণ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ফ্রান্সের অভিনন্দন মোদির ভিডিও অপসারণ: ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইল মেটা পদত্যাগের গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদাতবার্ষিকী বৃহস্পতিবার ‘জুলাই গণহত্যায় জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করলে কেউ রাষ্ট্রক্ষমতার অপব্যবহারের সাহস পাবে না’ আরেকটি বিপ্লব আসন্ন, দেশবাসীকে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার আরেকটি বিপ্লব আসন্ন, দেশবাসীকে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার ‘এককালের আপোষহীন বিএনপি এখন আপোসকামী হয়ে জনরায় উপেক্ষা করছে’

আফিম উৎপাদনে আফগানিস্তানকে হটিয়েছে মিয়ানমার

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১০৬ বার পঠিত

বিশ্বের এক নম্বর আফিম উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে এতদিন কিছুটা বদনামই ছিল আফগানিস্তানের। তবে সেই তকমা এখন মিয়ানমারের দখলে। মঙ্গলবার জাতিসংঘ এক রিপোর্টে জানিয়েছে, আফগানিস্তানকে পেছনে ফেলে মিয়ানমার এখন বিশ্বের বৃহত্তম আফিম উৎপাদনকারী দেশ। খবর বিবিসির।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছর মিয়ানমারের আফিম উৎপাদন ৩৬ শতাংশ বেড়েছে। এতে অনুমান করা হচ্ছে, সামরিক জান্তাশাসিত দেশটিতে এবার ১০৮০ টন আফিম উৎপাদন হবে। অন্যদিকে তালেবান শাসিত আফগানিস্তানে এবার আফিম উৎপাদিত হতে পারে ৩৩০ টন। তুলনামূলক চিত্রে দেখা যাচ্ছে, আফগানিস্তানের চেয়ে মিয়ানমারে পপি চাষ হচ্ছে তিনগুণেরও বেশি।

আফগানিস্তানে ২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতা নেওয়ার পর মাদক নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এতে দেশটিতে পপি চাষ আগের বছরের চেয়ে ৯৫ শতাংশই কমে গেছে।

একদিনে আফগানিস্তানে পপি চাষ প্রায় বন্ধই হয়ে গেছে, অন্যদিকে ব্যাপক আকারে চাষ বেড়েছে মিয়ানমারে। আর এটি সামরিক অভ্যুত্থানবিরোধীদের আয়ের একটি লাভজনক উৎসে পরিণত হয়েছে।

জাতিসংঘের ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইম দপ্তরের (ইউএনওডিসি) আঞ্চলিক প্রতিনিধি জেরেমি ডগলাস বলেন, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমারে সামরিক জান্তা সরকার ক্ষমতা দখলের পর থেকে অব্যাহত আন্দোলন-সংঘাত দেশটির অর্থনীতি, নিরাপত্তা এবং শাসনব্যবস্থায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। আর এই পরিস্থিতি প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকদের জীবিকা নির্বাহের জন্য আফিমের দিকে ধাবিত করেছে।

মিয়ানমারে যদিও কয়েক দশক ধরে আফিমের চাষ হচ্ছে, তবে সামরিক অভ্যুত্থানের পর এর চাষাবাদ অন্তত ১৮ শতাংশ বেড়েছে। আফিম চাষাবাদের অর্থের একটি বড় অংশই সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত বিদ্রোহী দলগুলোকে অর্থায়ন করছে।

মিয়ানমারে সামরিক জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কঠিন লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে শান রাজ্যে একজোট হওয়া তিনটি সশস্ত্র গোষ্ঠী। আর সেই শান রাজ্যই দেশটির শীর্ষ আফিম উৎপাদনকারী অঞ্চল।

খুব সচেতনভাবেই বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো নিজেদের কার্যক্রমে অর্থায়নের জন্য আফিম বিক্রির ওপর নির্ভরশীল। তাছাড়া মিয়ানমারের অন্যান্য অঞ্চলে বিভিন্ন কারণে যারা বেকার, তাদের অনেকেই যুক্ত হয়েছেন আফিম চাষ সংশ্লিষ্ট কাজে।

জাতিসংঘের রিপোর্টে আরও বলা হয়, আফিম চাষ শান রাজ্যে সবচেয়ে বেশি বিস্তৃত হয়েছে, তারপর চিন ও কাচিন রাজ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে চাষাবাদ।

আফিম হচ্ছে ভয়ানক মাদক হেরোইনের মূল উপাদান। জাতিসংঘের অনুমান, চলতি বছর মিয়ানমার থেকে ১৫৪ টন হেরোইন রপ্তানি হয়েছে, যার মূল্য ২২০ কোটি ডলার।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com