শুক্রবার, ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, ১২ জুন ২০২৬, ২৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ওয়ানডে সিরিজ জয় কালো টাকা সাদা করার সুযোগ থাকছে, উৎস নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে ৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুর চুক্তি সই অ্যাটর্নি জেনারেল, ‘রামিসাসহ অন্যান্য ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার বিরতিহীনভাবে চলবে’ ইরানের চোখ ফাঁকি দিয়ে ১০ কোটি ব্যারেল তেল নিয়ে এসেছে মার্কিন বাহিনী: ট্রাম্প বাংলাদেশে ফরাসি ভাষা শিক্ষার প্রসারে ফ্রান্সের সহযোগিতা চাইলেন মাহদী আমিন গ্রুপ পর্বের যে ৫টি ম্যাচ কোনোভাবেই মিস করা যাবে না! আজ রাতে কঠোর হামলা ও খার্গ দ্বীপ দখলের হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

প্রেমপত্র নয়, এসেছিল হুমায়ূনের ডিভোর্স নোটিস

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১১৩ বার পঠিত
হঠাৎ করেই সামাজিক মাধ্যমে অতীতের কিছু স্মৃতি স্মরণ করলেন প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের প্রথম স্ত্রী গুলতেকিন খান। নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) পর পর চারটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি। শেয়ার করেছেন হুমায়ুন আহমেদের পাঠানো ডিভোর্স নোটিস।

প্রথম স্ট্যাটাসে গুলতেকিন জানান, ‘এই খামটির ভেতরে খুব যত্ন করে রাখা ছিলো আরেকটি খাম।

আজ ট্যাক্সের জন্য কিছু কাগজ খুঁজতে গিয়ে এটি (ডিভোর্স নোটিস) পেলাম।’ 

এর পরে বিচ্ছেদ নোটিসের সেই চিঠির খাম ও নোটিসের ছবি ফেসবুকে শেয়ার করে তিনি। ক্যাপশনে জানান, “এ ধরণের হলদে খামে চিঠি আসলে আমার মেয়ে শীলা বলতো, এগুলো তোমাকে লেখা প্রেমপত্র। শীলার বাবার লেখা আত্মজীবনীমূলক বই পড়ে অনেকেই আমাকে চিঠি লিখতো।

২০০৪ সালের ৬ জুন, স্কুল থেকে ফিরতেই শীলা বললো, ‘তোমার একটা প্রেমপত্র এসেছে “ এরপর গুলতেকিন জানান, খাম খুলেই দেখতে তিনি পান হুমায়ূনের পাঠানো ডিভোর্স নোটিস। 

1
গুলতেকিনের ফেসবুক পোস্ট থেকে নেওয়া

আরেকটি স্ট্যাটাসে মেয়ে শীলার কথা উল্লেখ করে গুলতেকিন লেখেন, ‘আমি হাসতে হাসতে বললাম, শীলা বাবা, তোমার ড্যাডি তো আমাকে ডিভোর্স দিয়েছে।’ ডিভোর্স নোটিসে হ‌ুমায়ূন আহমেদ লিখেছিলেন, ‘বিবাহের পর থেকেই তাহার সহিত আমার কোনোমতেই বনিবনা হইতেছে না। ভবিষ্যতেও বনিবনা হইবার কোনোরূপ সম্ভাবনা না থাকায় আমি অপারগ…’

সবশেষ স্ট্যাটাসে গুলতেকিন লেখেন, “আমি আমার তিন মেয়ে আর ছেলেকে নিয়ে খুবই চমৎকার জীবন কাটাচ্ছি।

শুধু তারা নয়, আমি এখন সাতজনের ‘নানু/নিন্নাই”। আলহামদুলিল্লাহ। আমার নিজের ছোট একটি থাকার জায়গা আছে। আমি তিন বেলা ভালো খাই, ভালো পোষাক পরি। এরপর আর কিছু চাওয়া নেই জীবনের কাছে।
দুঃখ দুঃখ ভাব করলে মহান আল্লাহ, অসন্তুষ্ট হবেন আল্লাহ। এসব লিখে দুঃখ বিলাসের সময়, এখন নেই। এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এদেশের লক্ষ লক্ষ মেয়েরা একই ধরণের সমস্যা নিয়ে বেঁচে আছে। পার্থক্য হচ্ছে, আমি একজন বিখ্যাত মানুষের, এক সময়ের স্ত্রী ছিলাম, তাই আমাদের জীবনযাপন সম্পর্কে মানুষের অনেক কৌতূহল আছে। কিন্তু অন্যদের কথা আমরা জানি না। লক্ষ কোটি নারীরা জীবন সংগ্রাম করছে, শুধুমাত্র আমরা তাদের কথা জানি না।’ 

গুলতেকিনের সঙ্গে হ‌ুমায়ূন আহমেদের বিয়ে হয় ১৯৭৩ সালে। তাদের সংসারে আসে এক ছেলে ও তিন মেয়ে। গুলতেকিনের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের দুই বছর পর ২০০৫ সালে হুমায়ূন আহমেদ বিয়ে করেন অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনকে। এরপর ২০১৯ সালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আফতাব আহমদকে বিয়ে করেন গুলতেকিন। কিছুদিন আগেই আফতাব প্রয়াত হয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com