শনিবার, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যালারির অনেকটা ফাঁকা বগুড়ার চার উপজেলায় বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ ও সেলাই মেশিন উপহার, দরিদ্র পরিবারে আশার আলো জ্বালল বসুন্ধরা গ্রুপ বাজেট প্রতিক্রিয়া, বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি এফবিআইয়ের ড্রোন হ্যাকের দাবি, বিশ্বকাপে হামলার হুমকি ইরান-সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীর যুদ্ধ অবসানের চুক্তি হলে খুলে দেওয়া হবে হরমুজ প্রণালি: ইরান কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী চোট কাটিয়ে অনুশীলনে মার্তিনেজ, আর্জেন্টিনা শিবিরে স্বস্তি গৌরনদী শিশু একাডেমির উদ্যোগে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন জ্ঞানভিত্তিক প্রজন্মকে তৈরি করার কাজটাকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি-তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন চুক্তি নয়, আলোচনার শুরু মাত্র: ট্রাম্পের দাবিতে পানি ঢাললেন বিশ্লেষকরা

প্রেমের ফাঁদে ফেলে নারীকে ধর্ষণ, বাবা-ছেলে কারাগারে

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২২
  • ১৫৪ বার পঠিত

নীলফামারীর জলঢাকায় কবিরাজি চিকিৎসার সময় প্রেমের ফাঁদে ফেলে নারীকে ধর্ষণ-নির্যাতনের মামলায় মিজানুর রহমান (৫০) ও তার ছেলে মবিলুল রহমানকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী নারীর মা বাদী হয়ে ধর্ষণ ও নির্যাতনের এ মামলা করেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, চিকিৎসার কারণে কিছুদিন আগে ভুক্তভোগী ওই নারীর সঙ্গে পরিচয় হয় কথিত কবিরাজ মিজানুর রহমানের। এক পর্যায়ে কবিরাজি চিকিৎসার মাধ্যমে বশ করে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তার সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেন মিজানুর রহমান। এরপর ওই নারী বিয়ের কথা বললে মিথ্যা বিয়ের নাটক সাজিয়ে ভাড়া বাসায় রেখে শারীরিক সম্পর্ক ও নির্যাতন করেন তিনি। এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী নারী অসুস্থ হয়ে পড়লে ভাড়া বাসায় যাওয়া ও যোগাযোগ বন্ধ করে দেন মিজানুর রহমান। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন ভুক্তভোগী ওই নারী।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় বার বার যোগাযোগ করেও কথিত স্বামী মিজানুরের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব না হলে তার বাড়িতে যান ভুক্তভোগী নারী। এ সময় কবিরাজ মিজানুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা শারীরিক নির্যাতন ও গলা টিপে হত্যার চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে বাড়ির বাইরে টেনে এনে কবিরাজের ছেলে মবিলুর রহমান ভুক্তভোগী নারীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন।

ভুক্তভোগী নারী জ্ঞান হারালে সেখানে রেখেই পালিয়ে যান তিনি। খবর পেয়ে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায়। অবস্থার অবনতি হলে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ কবীর বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন ভুক্তভোগী নারীর মা। ওই মামলায় কবিরাজ মিজানুর ও তার ছেলেকে আটক করা হয়। বিকেলে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com