তিনি বলেন, ২০২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে দেশের শিক্ষাক্রম নতুন করে সাজানো হবে।
তিনি বলেন, ২০২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে দেশের শিক্ষাক্রম নতুন করে সাজানো হবে।
বেকারত্ব দূর করতে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ চালুর উদ্যোগের কথাও জানান মাহদী আমিন। এর মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থীরা নিজেদের দক্ষতার তথ্য নিবন্ধন করতে পারবেন এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে।
শিক্ষকদের ডিজিটাল দক্ষতা বাড়াতে পর্যায়ক্রমে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচির আওতায় সব পর্যায়ের শিক্ষকদের হাতে ট্যাবলেট দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় শিল্পের সমস্যা সমাধানে যৌথ গবেষণার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান মাহদী আমিন। প্রবাসী বাংলাদেশি গবেষক ও শিক্ষকদের দেশে ফিরিয়ে ‘ব্রেন ড্রেন’কে ‘ব্রেন সার্কুলেশনে’ রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, শুধু সনদনির্ভর শিক্ষা নয়, দক্ষতা, কর্মসংস্থান, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তোলার মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।