শনিবার, ০৭:২৯ অপরাহ্ন, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
বর্তমান সংসদের দিকে তাকিয়ে আছে দেশের ১৮ কোটি মানুষ: ভারপ্রাপ্ত স্পিকার অপরিকল্পিত কেনাকাটায় অচল কোটি টাকার চিকিৎসা যন্ত্রপাতি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং যেন মরণ ফাঁদ সমন্বিত প্রচেষ্টায় ৪-৫ বছরেই অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী বললেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী, চলতি মাসেই ঢাকা–কক্সবাজার রুটে একজোড়া নতুন ট্রেন চালু করা হবে সংসদের ছোটখাটো বিষয়কে রাজপথে এনে অস্থিরতা-বিভ্রান্তি তৈরির অপচেষ্টা চলছে: তথ্যমন্ত্রী শাহ আমানতে অন্তর্বাসে ক্যাপসুলসদৃশ স্বর্ণসহ ভারতীয় আটক ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন, ২ দিনে ডিএমপির ৬৩০০ মামলা দুই মেট্রো স্টেশনে বোমাতঙ্ক, ব্যাগে যা মিলল টানা ৫ বারের মতো সাফ সভাপতি হলেন কাজী সালাহউদ্দিন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রাখছে যুক্তরাষ্ট্র: মাহদী আমিন

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১ বার পঠিত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও বাংলাদেশের স্থিতিশীলতায় দৃঢ় আত্মবিশ্বাস যুক্তরাষ্ট্রের বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন।আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ব্রিফিয়ের সময়ে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, সহকারি প্রেস সচিব নাজমুল হক প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রতি আজ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যে আস্থা আমরা প্রত্যক্ষ করছি, তার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বাংলাদেশ সম্পর্কিত তাদের ভ্রমণ সতর্কতা ইতিবাচকভাবে সংশোধন করেছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশকে ভ্রমণ সতর্কতাতে লেভেল-৩ থেকে লেভেল-২ তে উন্নীত করা হয়েছে। এটি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী, পর্যটক এবং বৈশ্বিক সম্পৃক্ততার প্রতি একটি ইতিবাচক বার্তা যে, বাংলাদেশ এখন একটি স্থিতিশীল, নিরাপদ এবং বিনিয়োগবান্ধব গন্তব্য।

মাহ্দী আমিন বলেন, এর মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও স্পষ্টভাবে এই বার্তা দেওয়া হয়েছে , তারা চায় আরও বেশি বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে আসুক, এখানকার সম্ভাবনা অন্বেষণ করুক এবং প্রত্যক্ষভাবে দেখুক, নীতিগত ধারাবাহিকতার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ কীভাবে নতুন নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করছে। আমাদের লক্ষ্যও সেটিই, বাংলাদেশের সক্ষমতা, স্থিতিশীলতা এবং বিনিয়োগের সম্ভাবনাকে বিশ্বের সামনে আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরা এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করা।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র জানান, সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত জনাব সার্জিও গোর। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এবং মার্কিন দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা, আইসিটি উপদেষ্টা এবং তিনি (মাহ্দী আমিন)।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণের ভোটে নির্বাচিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রতি দৃঢ় আত্মবিশ্বাসের কথা ব্যক্ত করা হয়েছে। তারা উল্লেখ করেছেন যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে এবং দেশ একটি ইতিবাচক ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, গত প্রায় পাঁচ মাসে রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রধানমন্ত্রী যে নীতিগত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সেগুলোর প্রশংসা করা হয়েছে। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান বহুমাত্রিক ও বহুমুখী সম্পর্ককে কীভাবে আরও গভীর করা যায়, বিশেষ করে অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টি করে কীভাবে এ সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া যায়, সে বিষয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য হলো, বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী ও অর্থবহ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, কীভাবে বাংলাদেশে আরও বেশি বিনিয়োগ বাড়ানো যায়, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ করা যায়, বাংলাদেশের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে এবং এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার কী ধরনের নীতিগত সহায়তা দিতে পারে, এসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি বৃদ্ধি, আমদানি কার্যক্রম গতিশীল করা এবং দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে কার্যকর আলোচনা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে আগামী সপ্তাহের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় প্রায় ২৫টি শিল্প ও ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্বকারী প্রায় ৪৫ জন শীর্ষ ব্যবসায়ী ও প্রথম সারির কর্মকর্তা বাংলাদেশ সফরে আসবেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্বে যারা আছেন তাদের সাথে বৈঠক করবেন। প্রধানমন্ত্রীর সাথেও তাদের একটি বৈঠক হবে। এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আমরা আশাবাদী।

মাহ্দী আমিন বলেন, অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনার ভিত্তিতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য আরও সম্প্রসারণ, বাংলাদেশে অধিকতর মার্কিন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং পারস্পরিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। এর ফলে বাংলাদেশে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, শিল্পায়ন আরও গতিশীল হবে এবং আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে। একই সঙ্গে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং বহুমাত্রিক সহযোগিতার যে-সব সুযোগ আমাদের সামনে রয়েছে, সেগুলোকে একটি শক্তিশালী সম্পর্কের মাধ্যমে আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি আগামী দিনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ককে আরও গভীর, ফলপ্রসূ এবং পারস্পরিক কল্যাণমুখী পর্যায়ে নিয়ে যাবে। এই বৈঠক শেষে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত জনাব সার্জিও গোর গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁর বক্তব্যেও আজকের আলোচনার ইতিবাচক দিকগুলো স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পথযাত্রায় যুক্তরাষ্ট্র অতীতের মতোই একটি বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের পাশে থাকবে এবং ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র যে আস্থা ও আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছে, আমরা তাকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। এটি বাংলাদেশের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা বৃদ্ধিরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের স্থানীয় ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের একাংশের সাথে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরও গতিশীল করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। সরকার দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের জন্য একটি স্থিতিশীল, স্বচ্ছ ও ব্যাবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি খাতের বিভিন্ন বিষয়ে তাঁদের মতামত ও অবস্থান জানতে চেয়েছেন।

তিনি বলেন, আমরা জানি দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনের কারণে রাষ্ট্রব্যবস্থায় নানা ধরনের সমস্যা তৈরি হয়েছে। বাণিজ্য, শিল্প ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও কিছু জটিলতা রয়েছে। এসব সমস্যা কীভাবে দূর করা যায় এবং বেসরকারি খাতের জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ কীভাবে তৈরি করা যায়, তা নিয়েই আলোচনা হয়েছে।

গত পাঁচ মাস ধরে আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারের আলোকে নির্বাচিত বিএনপি সরকার সেসব সমস্যা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। সে কারণে বেসরকারি খাতের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁদের যে-সব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো তিনি বিস্তারিতভাবে শুনেছেন, উপলব্ধি করেছেন এবং সামনের দিনগুলোতে কীভাবে সেগুলোর সমাধান করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন, বিশেষভাবে দেশের বিদ্যুৎ ও গ্যাসের যে ঘাটতি রয়েছে, কীভাবে আমরা জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদে চলে আসা সমস্যাগুলোর সমাধান করব, কীভাবে জ্বালানি নিরাপত্তা আরও জোরদার করব, বাংলাদেশে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড তথা কর ব্যবস্থায় কী ধরনের সংস্কার প্রয়োজন, এবং কীভাবে আমাদের নীতিগত সহায়তা এমন হবে, যেখানে বেসরকারি খাত পরিচালিত একটি সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারি, সেসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

মাহ্দী আমিন বলেন, পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন বিনিয়োগ খাতে বিদ্যমান শিল্পাঞ্চল, যেমন বিসিক, ইকোনমিক জোন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) আওতাধীন এলাকাগুলোতে কীভাবে আরও বেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা যায় এবং যেখানে জটিলতা রয়েছে, সেগুলো কীভাবে আরও সহজ করা যায়, তা নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আজ বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণও তাঁদের মতামত তুলে ধরেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন, সামনের দিনগুলোতে আমরা চাই, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে উঠুক, যেখানে বেসরকারি খাতের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা থাকবে এবং বেসরকারি খাত আরও বিকশিত হবে। সে লক্ষ্যেই সরকার একটি ব্যাবসাবান্ধব ও বিনিয়োগবান্ধব বাজেট দিয়েছে এবং সেই বাজেটের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে আমরা নীতিগুলো বাস্তবায়ন করব। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, বাংলাদেশের বিপুল জনমিতিক লভ্যাংশকে কাজে লাগানো। অর্থাৎ আমাদের যে বিপুলসংখ্যক তরুণ ও নারী কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানের জন্য প্রস্তুত রয়েছেন, তাঁদের কীভাবে আরও বিকশিত ও ক্ষমতায়িত করা যায়, সেটিই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com