মঙ্গলবার, ০৫:০৯ অপরাহ্ন, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, [bangla_date] , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ আনুষ্ঠানিক ঘোষণা গৌরনদীতে অনুমোদনহীন কসমেটিকস বিক্রি, দুই দোকানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা গৌরনদীতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নবগঠিত কমিটির ইউএনও কে ফুলেল শুভেচ্ছা গৌরনদীতে মানবিক সংগঠনের নবগঠিত কমিটির ইউএনওকে ফুলেল শুভেচ্ছা গৌরনদীতে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে ১৫ জন, গ্রেপ্তার ৭, পলাতক ২৫-৩০ গৌরনদী প্রেসক্লাবের ফ্যামিলি ডে-২০২৬ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ: আইজিপি ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, আঘাত হানবে যেসব এলাকায় ইরানের হুঁশিয়ারি: ফের যুদ্ধ শুরু হলে তেলের দাম ছাড়াতে পারে ১৫০ ডলার আ. লীগের সাত শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনে জমা

শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য এবং শিক্ষার্থীদের আন্দোলন রাজনৈতিক ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে সংবেদনশীল

খোন্দকার কাওছার হোসেন
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬
  • ৯৮ বার পঠিত

শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলনের বক্তব্য এবং শিক্ষার্থীদের আন্দোলন সংশ্লিষ্ট বিষয়টি রাজনৈতিক ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত সংবেদনশীল।
যেকোনো গণতান্ত্রিক সমাজে বিভিন্ন পক্ষের ভিন্ন ভিন্ন মতামত ও যুক্তি থাকে।
প্রশাসনের কোনো সিদ্ধান্তের কারণে যদি সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার ব্যাহত হয়, তবে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ জানানো তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার।
তবে আন্দোলনের কারণে যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অচলাবস্থা তৈরি হয় বা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হয়, তবে সেই আন্দোলনের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রী বা জনপ্রতিনিধি হিসেবে শিক্ষার্থীদের সাথে সংবেদনশীল আচরণ এবং সংযত ভাষা ব্যবহার করা প্রত্যাশিত।
সংসদে বা জনসমক্ষে দেওয়া কোনো বক্তব্য যদি শিক্ষার্থীদের আবেগ বা আত্মসম্মানে আঘাত করে, তবে তা নৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা হারায়।
অনেক সময় দেখা যায়, মন্ত্রীর বক্তব্যকে আংশিক বা প্রেক্ষাপট ছাড়া (out of context) প্রচার করার ফলে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়।
​
এমন পরিস্থিতিতে কোনো পক্ষই যেন অনড় অবস্থানে না থাকে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী প্রতিনিধি এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি খোলামেলা ও আন্তরিক আলোচনার টেবিল তৈরি করা জরুরি।
শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো পর্যালোচনার জন্য একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা যেতে পারে, যা যৌক্তিক দাবিগুলো চিহ্নিত করে বাস্তবায়নের রূপরেখা দেবে।
সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের প্রতি সহানুভূতিশীল ও অভিভাবকসুলভ আচরণ প্রদর্শন করা উচিত।
শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে শান্তিপূর্ণ উপায়ে আইন নিজের হাতে না তুলে প্রতিবাদ ও দাবি জানানো উচিত।
দায়িত্বশীল গণমাধ্যমগুলোর উচিত সঠিক তথ্য সরবরাহ করা। কোন ধরনের উষ্কানি না দেয়া।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা উষ্কানি দিচ্ছে কিংবা মিস ইনফরমেশন ও ডিস ইনফরমেশন ছড়াচ্ছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উচিত বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে জরুরী ব্যবস্থা নেয়া।
সর্বোপরি যেকোনো মূল্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু রাখা ও পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা প্রয়োজন।

খোন্দকার কাওছার হোসেন
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com