শনিবার, ০৭:১৮ অপরাহ্ন, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
বাঙালি পরিচয়ে সীমান্তের ওপারের কারও সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই: তথ্যমন্ত্রী বাজেটে ছাড়, বাজারে স্বস্তির অপেক্ষায় ভোক্তা দুপুরে হুমকি, বিকেলে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা, মৃত ভেবে ফেলে রাখা হয় যুবক আরিফকে ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নেইমারকে ছাড়াই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নামবে ব্রাজিল হরমুজে ফের উত্তেজনা, একাধিক ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি মার্কিন বাহিনীর ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন পরিকল্পনা, অভিবাসীদের পাঠানো হবে আফ্রিকায় বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যালারির অনেকটা ফাঁকা বগুড়ার চার উপজেলায় বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ ও সেলাই মেশিন উপহার, দরিদ্র পরিবারে আশার আলো জ্বালল বসুন্ধরা গ্রুপ বাজেট প্রতিক্রিয়া, বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি

আদালতে রায় পেলেও ২০ বছরেও জমির দখল পাননি রহিম ঘরামী, গাছ বিক্রির ২ লাখ টাকাও আটকে থাকার অভিযোগ

মো.মোস্তফা হাওলাদার 
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬
  • ১০ বার পঠিত
বরিশালের গৌরনদী পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের সুন্দরদী গ্রামের বাসিন্দা মো. রহিম ঘরামী দীর্ঘ ২০ বছর ধরে জমি সংক্রান্ত মামলা পরিচালনার পর আদালতে তার পক্ষে রায় পেলেও এখনো জমির দখল বুঝে না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। একই সঙ্গে নিজের জমির গাছ বিক্রির প্রায় ২ লাখ টাকা ফেরত না পাওয়ার দাবিও করেছেন তিনি।
ভুক্তভোগী রহিম ঘরামী জানান, তার পিতা মৃত সোবহান ঘরামীর রেখে যাওয়া প্রায় ১ একর ১৪ দশমিক ৫ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন আদালতে প্রায় দুই দশক মামলা চলার পর সম্প্রতি বরিশালের আদালত তার পক্ষে রায় প্রদান করেন। আদালতের রায়ে সংশ্লিষ্ট সব মামলা খারিজ হলেও এখনো তিনি জমির প্রকৃত দখল বুঝে পাননি বলে অভিযোগ করেন।
রহিম ঘরামী বলেন, “আদালত আমার পক্ষে রায় দিয়েছেন। কিন্তু এখনো আমি আমার জমির দখল বুঝে পাইনি। এছাড়া আমার জমির গাছ বিক্রি করা হলেও সেই টাকাও আমাকে দেওয়া হচ্ছে না। আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করছি, আমার জমি বুঝিয়ে দেওয়া হোক এবং গাছ বিক্রির অর্থ ফেরত দেওয়া হোক।”
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাছ বিক্রির প্রায় ২ লাখ টাকা একই গ্রামের বলু সরদারের ছেলে মানিক সরদারের কাছে জমা রয়েছে।
এ বিষয়ে মানিক সরদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “জমির অন্যান্য ভাগিদার ও সালিশকারীরা আমাকে টাকা দিতে নিষেধ করেছেন। সে কারণেই এখন পর্যন্ত আমি ওই টাকা প্রদান করিনি।”
এদিকে অভিযোগ রয়েছে, আদালতের রায় ঘোষণার পরও বিবাদী হারিস ও কামাল ওই জমির দখল বজায় রেখেছেন। রহিম ঘরামীর দাবি, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর তারা জমির একটি অংশে বসতঘর নির্মাণ করলেও সেখানে নিয়মিত বসবাস করেন না।
ঘটনাটি এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, আদালতের রায়ের যথাযথ বাস্তবায়ন এবং প্রকৃত মালিককে জমির দখল বুঝিয়ে দিতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগী রহিম ঘরামী। তিনি আইন অনুযায়ী তার জমির দখল এবং গাছ বিক্রির অর্থ দ্রুত ফেরত পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com