মঙ্গলবার, ০৫:০৫ অপরাহ্ন, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩রা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।

হাইকোর্টের রায় বহাল, কন্টেইনার টার্মিনাল নিয়ে লিভ টু আপিল খারিজ

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬
  • ৮ বার পঠিত

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল বা এনসিটির ব্যবস্থাপনা বিদেশি কোম্পানিকে দেওয়া সংক্রান্ত প্রক্রিয়ার বৈধতা প্রশ্নে রুল খারিজে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি) খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ফলে চুক্তির প্রক্রিয়া বৈধই থাকল।

বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

গত ২৯ জানুয়ারি বিচারপতি জাফর আহমেদের একক বেঞ্চ (তৃতীয় বেঞ্চ) রায় ঘোষণা করেছিলেন।

এর আগে, গত বছরের ২৫ নভেম্বর শুনানি শেষে রায়ের জন্য ৪ ডিসেম্বর দিন রেখেছিলেন হাইকোর্ট। ওইদিন চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল বা এনসিটির ব্যবস্থাপনা বিদেশি কোম্পানিকে দেওয়া সংক্রান্ত প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে রুলের ওপর দ্বিধাবিভক্ত রায় দেওয়া হয়।

বিচারপতি ফাতেমা নজীব প্রক্রিয়া অবৈধ ঘোষণা করলেও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার রুল খারিজ করে দেন। ফলে বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়।
তিনি নিষ্পত্তির জন্য বিচারপতি জাফর আহমেদের একক বেঞ্চে পাঠান।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. আনোয়ার হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল বা এনসিটির ব্যবস্থাপনা বিদেশি কোম্পানিকে দেওয়া সংক্রান্ত প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে যুব অর্থনীতি ফোরামের সভাপতি মির্জা ওয়ালিদ হাসান রিট করেন। ওই রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ৩০ জুলাই রুল দেন হাইকোর্ট।

রুলে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ আইন লঙ্ঘন করে দেশীয় অপারেটরদের অনুমতি না দিয়ে চট্টগ্রাম নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল পরিচালনায় বিদেশিদের সঙ্গে চুক্তির চলমান প্রক্রিয়া কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।

একই সঙ্গে যে কোনো অপারেটরকে কন্টেইনার টার্মিনাল হ্যান্ডলিং পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার আগে আইন অনুসারে ন্যায্য ও প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র আহ্বানের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, সে মর্মেও রুল জারি করা হয়।

নৌসচিব, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও পিপিপি কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

এ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, বিগত আওয়ামী লীগ আমলে এই টার্মিনাল ব্যবস্থাপনার দুবাইভিত্তিক একটি বিদেশি কোম্পানিকে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দেওয়ার যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল, সেটিই তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আবার গতি পেয়েছে-এমন খবরে অনেকেই এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com