বৃহস্পতিবার, ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, ২০ অগাস্ট ২০২৬, [bangla_date] , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে গৌরনদীতে মৎস্যজীবিদের ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরন জুলাই বিপ্লব খালেদা জিয়ার দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সফল পরিণতি: আইনমন্ত্রী    জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে  গৌরনদী পৌরবাসী, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরো দুই শিশুর মৃত্যু সেলিম আল দীনের ৭৭তম জন্মবার্ষিকী আজ রাজধানীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৮৮, মামলা ৫৫ সেপ্টেম্বরে ভয়ংকর হতে পারে ডেঙ্গু সাবেক সেনাপ্রধান আজিজের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির আবেদন রাজস্ব সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে দেখতে চান ক্যানিজিয়া

ট্রাম্পের হুমকির কাছে মাথা নত করবে না ইরান

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১০৬ বার পঠিত

ইরানের অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি হস্তক্ষেপের হুমকির কড়া জবাব দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। শনিবার এক ভাষণে তিনি বলেছেন, ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান কখনোই শত্রুর কাছে নতিস্বীকার করবে না।’ একই সঙ্গে তিনি বিক্ষোভের নামে সহিংসতা সৃষ্টিকারীদের ‘উপযুক্ত শিক্ষা’ দেওয়ার হুশিয়ারিও দিয়েছেন। খবর রয়টার্সের।

গত সপ্তাহের রবিবার থেকে ইরানি মুদ্রার চরম দরপতন ও আকাশছোঁয়া মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে দেশজুড়ে যে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে, তা এখন রাজনৈতিক রূপ নিয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন এবং গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুই শতাধিক মানুষকে।

শুক্রবার নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যদি ইরান সরকার শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর প্রাণঘাতী হামলা চালায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের উদ্ধারে এগিয়ে আসবে। তিনি লেখেন, ‘সাঁজোয়া সজ্জায় প্রস্তুত এবং ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য তৈরি।’

ট্রাম্পের এই বার্তার পর ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ পাল্টা হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, যে কোনো মার্কিন হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের সব মার্কিন ঘাঁটি ইরানের বৈধ লক্ষ্যে পরিণত হবে।

খামেনি তার ভাষণে ব্যবসায়ীদের অর্থনৈতিক দুরবস্থার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা ঠিকই বলছেন, এই পরিস্থিতিতে ব্যবসা করা অসম্ভব। আমরা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি, কিন্তু দাঙ্গাবাজদের সঙ্গে কোনো আপস হবে না। দাঙ্গাবাজদের কঠোরভাবে দমন করা হবে।’

ইরানের পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে বিশেষ করে লরেস্তান ও কুর্দিস্তানে সংঘর্ষের মাত্রা সবচেয়ে বেশি। ২০২২ সালে মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর এটিই ইরানের জন্য সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ। একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক হুমকি, অন্যদিকে সিরিয়ায় মিত্র বাশার আল আসাদের পতন এবং হিজবুল্লাহর ওপর ইসরায়েলি হামলা- সব মিলিয়ে তেহরান এখন কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com