শুক্রবার, ০৬:৩১ অপরাহ্ন, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, [bangla_date] , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
২ বছরের সম্পর্কের পর অনন্যা-ওয়াকার বিচ্ছেদ! বৃষ্টিবিঘ্নিত লর্ডসে শুরুতেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে ইংল্যান্ড ৬৪ জেলায় ৬৪ জন ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ থাকলে মন্দ হতো না : রুমিন ফারহানা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালনে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব: রাষ্ট্রপতি নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭০ খুলনায় ভাড়া বাসায় মিলল অস্ত্রসহ একাধিক চেকবই, হেফাজতে স্বামী-স্ত্রী-ছেলে ১০ হাজার কনস্টেবল, ৪ হাজার এসআই ও ৪০০ সার্জেন্ট নিয়োগ করা হবে প্রস্তাব পেলে মক্কা প্যাক্টে যোগদানে ইতিবাচক থাকবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাহিত্যের আলোয় নতুন পথচলা, দক্ষিণবঙ্গ সাহিত্য পরিষদের গৌরনদী উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ গৌরনদীতে বেদে পল্লীতে দু’গ্রুপে হামলা-পাল্টা হামলা, ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ ॥ ৫ নারীসহ আহত ১৫ 

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে ৪ প্রতিপক্ষ, এগিয়ে ভারতীয় ঋষি

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই, ২০২২
  • ২৪১ বার পঠিত

ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের উত্তরসূরি হওয়ার দৌড়ে আপাতত সবার আগে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক। প্রধানমন্ত্রীর হওয়ার দৌড়ে এক প্রতিপক্ষ ছিটকে যাওয়ায় এখন প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে চার প্রার্থীর মধ্যে।

সোমবারের ভোটে কনজারভেটিভ পার্টির ১১৫ জন আইনসভার সদস্য তাকে ভোট দিয়েছেন। দৌড়ে আপাতত ঋষির পরেই রয়েছেন পেনি মরডুয়ান্ট। শেষ দফার ভোটে তার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ৮২। এর পরেই আছেন লিজ ট্রাস ৭১ ভোট নিয়ে।

তৃতীয় স্থানে থাকা ব্রিটেনের পররাষ্ট্র সচিব লিজ ট্রাস তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছেন বলে মনে করছেন অনেকে। তাদের ধারণা, চতুর্থ স্থানে থাকা বিদ্রোহী প্রার্থী কেমি বাদেনোচ লড়াই থেকে ছিটকে গেলে তার পুরো ভোটটাই পেতে পারেন ট্রাস। সে ক্ষেত্রে তিনি আচমকাই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে শেষ দু’য়ে চলে আসতে পারেন।

বুধবার পরবর্তী দফার ভোট ব্রিটেনে। ওই দিনই ঠিক হবে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রতিযোগিতায় শেষ দু’জন কে হতে চলেছেন।

২১ জুলাইয়ের মধ্যে কনজারভেটিভ পার্টির তরফে এই চার প্রতিদ্বন্দ্বী থেকে শেষ দুই প্রতিদ্বন্দ্বীকে বেছে নেয়া হবে। তাদের মধ্যেই শেষ লড়াই হবে।

কানজারভেটিভ পার্টি অবশ্য জানিয়ে দিয়েছে, পরবর্তী উত্তরসূরি নিয়ে সিদ্ধান্ত হওয়া পর্যন্ত বরিসই থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। আপতত ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেই মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বরিস জনসন সম্প্রতি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেয়ার কথা ঘোষণা করেন। মূলত ‘পার্টিগেট’ থেকে শুরু হয়েছিল জনসন সরকারের ইমেজের পতন। ব্রিটেনে কঠোর কোভিড লকডাউন চলাকালে সরকারি বাসভবনে মদের পার্টি বসানো নিয়ে দলের মধ্যেই অনাস্থা প্রস্তাবের মুখোমুখি হয়েছিলেন বরিস।
সূত্র : আলজাজিরা

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com