বুধবার, ০২:২৫ অপরাহ্ন, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, [bangla_date] , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে গৌরনদীতে মৎস্যজীবিদের ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরন জুলাই বিপ্লব খালেদা জিয়ার দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সফল পরিণতি: আইনমন্ত্রী    জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে  গৌরনদী পৌরবাসী, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরো দুই শিশুর মৃত্যু সেলিম আল দীনের ৭৭তম জন্মবার্ষিকী আজ রাজধানীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৮৮, মামলা ৫৫ সেপ্টেম্বরে ভয়ংকর হতে পারে ডেঙ্গু সাবেক সেনাপ্রধান আজিজের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির আবেদন রাজস্ব সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে দেখতে চান ক্যানিজিয়া

কাঁচা না শুকনো, কোন ধরনের হলুদ খাওয়া উপকারী?

সময়ের কণ্ঠধ্বনি
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ১৫৪ বার পঠিত

হলুদ স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারী এটা কমবেশি সবারই জানা। অনেক বিশেষজ্ঞরাও হলুদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তাদের কথায়, এই ভেষজে এমন কিছু উপকারী উপাদান আছে যা একাধিক রোগব্যাধি থেকে শরীরেকে মুক্ত করতে সাহায্য করে। এ কারণে শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত এই ভেষজ খাওয়া উপকারী।

তবে উপকারী হলুদ নিয়েও অনেকের মধ্যে কিছু বিভ্রান্তি রয়েছে। অনেকেই মনে করেন , গুঁড়া হলুদ বা শুকনো হলুদ খাওয়ার তুলনায় কাঁচা হলুদ খাওয়া বেশি উপকারী। তাই তারা নিয়মিত বিশেষজ্ঞের মতামত ছাড়াই কাঁচা হলুদ সেবন করেন।

শুধু তাই নয়, হলুদে কারকিউমিন নামক এমন একটি অনন্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা একাধিক ক্রনিক রোগের ঝুঁকি এড়াতে সাহায্য করে। তাই সুস্থ থাকতে নিয়মিত হলুদ খান।

হলুদে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট খারাপ কোলেস্টেরল বা এলডিএল-এর মাত্রা কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। এমনকী রক্তনালীতে প্লাক বা নোংরা জমতেও বাধা দেয় এই উপাদান। তাই নিয়মিত হলুদ খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। হলুদে থাকা অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি ক্যানসারের ঝুঁকিও কমায়। হলুদে নানা ধরনের অ্যান্টিডায়াবেটিক উপাদান রয়েছে যা রক্তে শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। এ কারণে ডায়াবেটিস রোগীরা নিয়মিত এই ভেষজ খেলে উপকার পাবেন। এমনকী সুগার প্রতিরোধ করতে চাইলেও রোজ হলুদ খেতে পারেন। এতে উপকার পাবেন।

ত্বকের উজ্জ্বলতা ফেরাতেও নিয়মিত খেতে পারেন এই ভেষজ। এছাড়া আইবিএস-এর মতো পেটের সমস্যা দূর করতেও হলুদ বেশ উপকারী।

কাঁচা না শুকনো হলুদ, কোনটা উপকারী?

বিশেষজ্ঞের মতে, কাঁচা হলুদ ও শুকনো হলুদের মধ্যে পুষ্টিগুণ বিবেচনা করলে কাঁচা হলুদকে কিছুটা হলেও এগিয়ে রাখতে হয়। কারণ হলুদ শুকিয়ে গেলে তাতে কারকিউমিনের পরিমাণ অনেকটাই কমে যায়। বিশেষ করে, রান্নায় ব্যবহৃত হলুদ গুঁড়োতে কারকিউমিনের মাত্রা থাকে খুবই কম। সেই তুলনায় কাঁচা হলুদে ভরপুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মজুত রয়েছে। তাই স্বাস্থ্য ভালো রাখতে নিয়মিত কাঁচা হলুদ খাওয়া অভ্যাস করুন।

দিনে কতটা হলুদ খাবেন?

একজন সুস্থ-সবল ব্যক্তি দিনে হাফ থেকে এক ইঞ্চি কাঁচা হলুদ চিবিয়ে খেতে পারেন। কিংবা সম পরিমাণ হলুদ ছোট ছোট করে কেটে নিয়ে পানি দিয়ে গিলে খেতে পারেন। এতে একাধিক উপকার পাবেন। তবে একবারে বেশি পরিমাণে হলুদ খাওয়া ঠিক নয়। তাতে টক্সিসিটির আশঙ্কা বাড়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com